প্রকাশের সময়: রবিবার, ১২ জুন, ২০২২ । ২:৫৭ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে দোকান ঘর ভাংচুরের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

কচুয়া প্রতিনিধি : কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের নলুয়া এলাকায় সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে এক নীরিহ পরিবারের দোকান ভাংচুর করেছে দৃবত্তরা । ১২৯নং কহলথুরি মৌজার সাবেক ৬৭নং হালে ১৮৪ দাগে ২৫ শতাংশ জায়গায় নলুয়া গ্রামের বজলুর রহমান একটি দোকান ঘরে দীর্ঘ দিন যাবৎ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে তার ছেলে শামীম।

সরজমিনে গেলে শামীম জানান, সম্প্রতি ওই এলাকার কিছু সন্ত্রাসী বাহিনী জোরপূর্বক তার দোকান ভাংচুর করে দোকান ঘরের চাল বেড়া খুলে ফেলে তাকে প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে। তিনি আরো জানান, মৃত আ: করিমের সাথে সম্পত্তি নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে । সম্প্রতি একদল সন্ত্রাসী আমাদের দখলীয় জায়গার দোকান ঘর ভাংচুর করেছে ।

২৬ এপ্রিল আ: কমিরমের ছেলে মো: জামাল হোসেন আমাদেরকে হয়রানি করার উদ্যেশ্যে একটি মামলা দিয়ে সৌদি আরব চলে যায়। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে গত ২৫ এপ্রিল চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। কিন্তু তারপরও আমরা এলাকায় শান্তিতে বসবাস করার মত অবস্থা নেই। মৃত আ: করিম আমাদের জায়গায় জোরপূর্বক কবরস্থান নির্মান করেছে। তার মৃত্যুর পর ওই কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়নি। মুলত ওই কবরসহ রাস্তা সংলগ্ন উত্তর দিকে আমাদের জায়গা। সেখানে এখনও আমাদের দোকানপাট রয়েছে। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে গত ১৫.২.২০২০ আবদুল করিম থানায় অভিযোগ দায়ের করে। ২০.২.২০২০ তারিখে কচুয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আ: মবিন ও ডেপুটি কমান্ডার জাবের মিয়া ও মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মোতালেব স্থানীয় ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের নিস্পত্তি করে। প্রত্যেক পক্ষকে তাহাদের দলিল অনুযায়ী দখল বুজাইয়া দেওয়া হয়। উভয় পক্ষের আমিন দ্বারা প্রত্যেকের দখল মাপ অনুযায়ী বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

আ: করিমের বৈমাতৃীয় ভাই জাকির হোসেন বলেন, কবরস্থানের সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ রয়েছে, তাই আ: করিম মারা গেলে কবরস্থানের পশ্চিম পাশে তাদের জায়গায় আ: করিমের লাশ দাফন করা হয়েছে। আ: করিমের ছেলে জামাল হোসেন মুঠোফোনে জানান আপোসের বিষয়টি সঠিক নয়। কবরস্থান ও তৎসংলগ্ন জায়গাটি ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত। আমি বেশীরভাগ সময় প্রবাসে থাকি তাই বজলুর রহমানের ছেলে শামীমের দোকান ঘরকে ভেঙ্গেছে তা আমি বলতে পারবনা।

এদিকে শামীমের পরিবার সম্পত্তিতে নির্মান করা দোকান ঘর ভাংচুর ও হুমকি ধমকি বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন