প্রকাশের সময়: শনিবার, ২ জুলাই, ২০২২ । ৪:০৫ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

এবার মতলব দক্ষিণে শিক্ষার্থী দ্বারা শিক্ষক লাঞ্ছিত

অনলাইন ডেস্ক
মোজাম্মেল প্রধান হাসিব : চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে খন্ডকালীন এক শিক্ষক শিক্ষার্থী দ্বারা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বরদিয়া কাজী সুলতান উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজি ক্লাস চলাকালে শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাটি ঘটিয়েছে ওই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী।
এ ব্যাপারে লাঞ্ছিত শিক্ষক ওই দিনই বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
লাঞ্ছিত ওই শিক্ষকের নাম চয়ন মজুমদার (৪০)। তিনি কাজী সুলতান উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ের খন্ডকালীন সহকারী শিক্ষক। তাঁর বাড়ি চাঁদপুর শহরের গুয়াখোলা এলাকায়। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বাড়ি উপজেলার বরদিয়া এলাকায়। তার বাবা ওই বিদ্যালয়ের সামনে চা-বিস্কুট বিক্রেতা।
শিক্ষক চয়ন মজুমদার বলেন, গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তিনি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ইংরেজি বিষয়ের ওপর পাঠদান করছিলেন। এ সময় ওই শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে তাঁর সঙ্গে অবাধ্য আচরণ ও বেয়াদবি করলে তিনি তাকে মৌখিকভাবে শাসন করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শিক্ষার্থী টেবিল থেকে উঠে সকল শিক্ষার্থীর সামনে শারীরিকভাবে তাঁকে (শিক্ষক) লাঞ্ছিত করে  দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে তিনি বিদ্যালয়ের  প্রধান শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে  আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে গোপনীয় ভাবে সমাধানের জন্য বৈঠকে বসেন। তবে বিষয়টি পুলিশ বা প্রশাসনের কাউকে জানাননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিদ্যালয়ের ৪/৫ জন শিক্ষার্থী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে  বলেন, স্যারকে লাঞ্ছিত করার পর থেকে সে বিদ্যালয়ে আসছে না। আমরা এ ঘটনার প্রতিবাদ ও বিচার চাই।
অভিযুক্ত ওই শিক্ষার্থী এ ঘটনার পর থেকে গাঁঢাকা দিয়েছেন। তাই তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তার বাবার মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সংযোগটি বন্ধ পাওয়া যায়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ওই শিক্ষক ঘটনাটির বিচার চেয়ে তাঁর কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি সুরাহার জন্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও শিক্ষকদের নিয়ে এখন সভা করছেন। স্থানীয়ভাবেই এটি মীমাংসার চেষ্টা চলছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম খানের মুঠোফোন নম্বরে আজ দুপুরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিয়া বলেন, বিষয়টি জেনেছি। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পাননি। পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন