প্রকাশের সময়: রবিবার, ৩ জুলাই, ২০২২ । ৩:২১ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুরে স্কুল ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি চেষ্টায় বখাটে হানিফা তালুকদার আটক

অনলাইন ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুরে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টায় ও উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের শ্যালক হানিফা তালুকদার নামে বখাটেকে আটক করেছে মডেল থানা পুলিশ।

ঘোড়ামারা আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা সেই স্কুল ছাত্রী আসা-যাওয়ার পথে তাকে উত্যক্ত ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে সেই বখাটে যুবক।
এই ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে চাঁদপুর মডেল থানা একটি মামলা দায়ের করেন। রবিবার ভোরে চাঁদপুর মডেল থানার এসআই ইকবাল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘোড়ামারা আশ্রয়ন প্রকল্পে অভিযান চালিয়ে সেই বখাটে মাদক সেবনকারী ও বহু অপকর্মের হোতা হানিফা তালুকদারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

স্কুল ছাত্রীর মা জানান, এই বখাটে হানিফা তালুকদার একে একে সাতটি বিয়ে করেছে, মে আসা যাওয়ার পথে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় ও আজেবাজে কথা বলে। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ করলে সেই বখাটে হানিফা তালুকদার ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়েকে মারধর করে ও তার বাবাকেও হামলা চালায়।

ঘটনাটি চাঁদপুর পুলিশ সুপার জানতে পেরে মামলা করে আসামিকে ধরার জন্য মডেল থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন। অবশেষে সেই বখাটেকে আটক করায় এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

স্থানীয়রা জানান, ওয়ারলেস এলাকার ঘোড়ামারা আশ্রম প্রকল্পের বাসিন্দা এই হানিফা তালুকদার তার দুলাভাই লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেলিম খানের দাপট দেখিয়ে এলাকায় রাম রাজত্ব কায়েম করছে। সে একে একে সাতটি বিয়ে করেও ক্ষ্যান্ত হয়নি। কিছুদিন পূর্বে সুমি নামে এক মেয়েকে খবর দিয়ে নিয়ে নতুন বাজার ব্রিজের মাঝখান থেকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেয়। সেই সুমি আক্তার হানিফার বোনের ছেলে হৃদয়ের সাথে প্রেম করে বিয়ে করার ঘটনায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে এমন কাজটি করেছে। সেই ঘটনায় হানিফা তালুকদারের আপন বড় বোনের জামাই লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেলিম খান তার লোকজন দিয়ে চাপ প্রয়োগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করার কারণে সেই ভুক্তভোগী নারী সুমি মামলা দিতেও ভয় পায়। অবশেষে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে ও তাকে শারীরিক লাঞ্ছিত করার ঘটনায় এই লম্পট হানিফা তালুকদারের বিরুদ্ধে অবশেষে মামলা দায়ের করা হয়।

পুলিশ তাকে আটক করে থানা নিয়ে যাওয়ার পর মামলার বাদি স্কুল ছাত্রীর মাকে ও বাবাকে জানে মেরে ফেলার হুমকি দিতে শুরু করে। তারা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

এছাড়া এই হানিফা তালুকদারের প্রতারণার শিকার হয়ে অনেক মেয়ে তাদের জীবন যৌবন হারিয়েছে। তার বিরুদ্ধে কঠোর আয়নালক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানান ভুক্তভোগীরা।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন