প্রকাশের সময়: সোমবার, ২১ নভেম্বর, ২০২২ । ১২:৫২ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

মধ্যযুগীয় কায়দায় জামাই আদর, থানায় অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

এস. এম ইকবাল : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরধরে শশুর বাড়িতে জামাইকে মধ্যযুগীয় ভাবে বেঁধে মারধরের অভিযোগ রয়েছে স্ত্রী, শশুর-শাশুড়ী ও শ্যালকের বিরুদ্ধে। জামাতা মেডিকেল ভর্তি।

জানাযায়, রুপসা উত্তর ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামের তিনা হাজী বাড়ির আঃ রবের ছেলে কাতার প্রবাসী মো. জসিম (৩৫) গত দুই বছর পূর্বে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক একই এলাকার গাজী বাড়ির ছলেমান গাজীর মেয়ে রোজিনা আক্তারকে বিবাহ করেন। দাম্পত্য জীবনে তাদের একজন পূত্র সন্তান রয়েছে।

বিবাহের পর জসিম জীবিকার তাগিদে প্রবাসে পাড়ি জমায়, এ সুযোগে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উভয় পরিবারের মাঝে বিবাদ চলে আসছিল। গত কয়েকদিন পূর্বে জসিম প্রবাস থেকে দেশে আসে। দেশে আসার পর তার স্ত্রী রোজিনা তার খেয়াল খুশি মত চলাফেরা করতে থাকে।

এতে জসিম তাকে ডাক দিলেও রোজিনা তাতে কর্নপাত না করায় তার বাবাসহ পরিবারের সদস্যদের অবহিত করে। তাদের অবহিত করায় রোজিনা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে। অতঃপর রোজিনা কৌশলে তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে যায়। তাকে বাড়িতে আসার কথা বললেও না আসায় গত ১৯ নভেম্বর জসিম তার সন্তানকে দেখতে শশুর বাড়িতে যায়।

এ সময় স্ত্রী, শশুর- শাশুড়ী, শ্যালক তাকে গালমন্দ করে, তাতে প্রতিবাদ করায় জসিমকে মধ্যযুগীয় ভাবে বাড়ির গেইটের সাথে বেঁধে ব্যাপকভাবে মারধর করে। এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়।

এ বিষয়ে জসিম জানান, আমি প্রবাস থেকে বাড়িতে বাড়িতে আসার পূর্বে আমার স্ত্রী রোজিনার বেপরোয়া চলাফেরার কারনে তার বাবাসহ পরিবারকে জানাই। এতে আমার স্ত্রী আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে। গত ১৫ দিন পূর্বে আমার স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে যায়, তাকে বারংবার বাড়িতে আসার কথা বললেও না আসায় তাদের আনতে আমি শশুর বাড়ি গেলে স্ত্রী, শশুর-শাশুড়ী ও শ্যালক আমাকে গালমন্দ করে। আমি তাতে প্রতিবাদ করায় আমাকে কিলগুসি দেয় এবং পরবর্তীতে আমাকে তাদের প্রতিবেশীর বাড়ির গেইটের সাথে মধ্যযুগীয় কায়দায় বেঁধে ব্যাপক মারধর করে। জসিম আরো জানায়, আমি বিদেশ থেকে বাড়ি এসে আমার স্ত্রী রোজিনার ৭ হাজার ২’শ কাতারি রিয়াল, ৩ ভরি স্বর্ন, ১ টি স্মার্ট ফোন, মানিব্যাগ ও কাতারের আইডি কার্ড জমা রাখি।

এ দিকে জসিমকে মারধরের পর থেকে ছলেমানসহ পরিবারের সকল সদস্য পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন