প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ । ৪:৫৮ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে হঠাৎ বেড়েছে সিঁদকেটে চুরি, জনমনে আতঙ্ক !

অনলাইন ডেস্ক
নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার রায়শ্রী গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে সম্প্রতি চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, ২৫ ও ২৬শে ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শনিবার ও রবিবার দুই রাতেই গ্রামের দু’টি বাড়িতে সিঁদ কেটে ঘরে প্রবেশ করে ৪টি চুরির ঘটনা ঘটেছে।
এছাড়াও গতমাসের শেষ দিকে আরো দু’টি চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।
এর মধ্যে শনিবার মধ্যরাতে গ্রামের পূর্ব পাড়া সাদা গাজী বাড়ির মাষ্টার গাজী সালাউদ্দিন ও একই বাড়ির আবদুল মালেক এর ঘর চুরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
এসব ঘর থেকে চোর কয়েকটি মোবাইল ফোন,স্বর্নালংকার ও নগদ টাকাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যায়।
একই রাতে পাশের বাড়িতে অন্য আরেকটি পরিবারের জানালা ভেঙ্গে মোবাইল এবং জিনিসপত্র নিতে চেষ্টা করলে পরিবারের লোকজন সজাগ হয়ে যায়।তা টের পেয়ে চোর পালিয়ে যায়। এতে কোনো মালামাল নিতে পারেনি বলে জানিয়েছেন তারা।
এদিকে রবিবার মধ্যরাতে গ্রামের দক্ষিণ-পশ্চিম পাড়ার নূর মোহাম্মদ ভূঁইয়া বাড়ির হাফেজ গোলাম কিবরিয়ার বসতঘরে সিঁদ কেটে ডুকে তাদের কয়েকটি মোবাইল,নগদ টাকা ও আলমিরা ভেঙ্গে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে যায়।
তাদের ঘরে ইতোপূর্বেও আরো কয়েকবার চুরি হওয়ার কথা জানান।
এছাড়াও গতমাসে রায়শ্রী পশ্চিম পাড়া শেখ বাড়ির বাহারাইন প্রবাসী মো.খোরশেদ আলমের পরিবারের লোকজন বাড়িতে না থাকায় রাতে তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ও আলমিরা কুপিয়ে ভেঙ্গে প্রায় লক্ষাধিক টাকা,৩ ভরি ওজনের সোনার গহনা,জামা কাপড়, ইলেকট্রিক মালামাল, ব্লেন্ডার মেশিন, কম্বল ও অন্যান্য দামি জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যায়।
থানায় অভিযোগ দিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে ভুক্তভোগীরা বলেন, “ভয় হয় বলে থানায় অভিযোগ দেইনি, যদি চোরেরা আবার ক্ষতি করে।
ভোক্তভোগী সালা উদ্দিন গাজী বলেন, চোরের উৎপাত বন্ধ করতে হলে স্থানীয় জন প্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশের সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রবাসী খোরশেদ আলম বলেন,আমরা পুরুষ মানুষ বাড়িতে নেই তাই জামেলায় জড়াতে চাইনি। তার ধারনা এরা এলাকারই কেহ হবে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন বলেন, এলাকায় চোরের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে বলে আমি জানতে পেরেছি।রায়শ্রী ২টি ওয়ার্ডে মাত্র দু’জন গ্রাম পুলিশ। এরিয়া বড় হওয়ায় তারা সর্বদিকে খেয়াল রাখা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই এলাকার সচেতন মহলের সহযোগিতা প্রয়োজন। তবুও আমি থানা অফিসার ইনচার্জ কে বিষয়টি অবগত করেছি, তিনি যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন