প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৩ । ৯:১৬ এম প্রিন্ট এর তারিখঃ শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে ঈদের আগাম কেনাকাটায় ব্যস্ত ক্রেতা-বিক্রেতা

অনলাইন ডেস্ক
মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলগুলোতে দেখা গেছে চাঁদপুরবাসীর উপচে পড়া ভিড়। নতুন জামা-জুতো এবং প্রসাধনী সামগ্রী কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতারা।
ব্যবসায়ীরাও ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী আকর্ষণীয় মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে পেরে খুশি।
গত কয়েক বছর করোনা মহামারীর কারণে যে ক্ষতি হয়েছে এই ঈদে সেটি পুষিয়ে নেয়ার আশা করছেন বিক্রেতারা। বৃহস্পতিবার চাঁদপুর সদরের বিভিন্ন বাজারের মার্কেটে ঘুরে এই দৃশ্য দেখা যায়। সদ্য ঘটে যাওয়া বঙ্গবাজারের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কাপড়ের সংকট ও চড়া দাম হয়ে যাবে বলে লোকমুখে শোনা যাচ্ছে।
ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আমরা আগেভাগেই ঈদ শপিং করে নিচ্ছি। তার কারন হিসেবে জানতে চাইলে তারা জানান, পরে ভালো মানের কাপড় না পাওয়ার সম্ভাবণা থাকে বেশি। অন্য ক্রেতারা বলছেন, মেয়ের শশুর বাড়িতে পছন্দসই কাপড় চোপড় পাঠানোর জন্য আগেভাগে কেনাকাটা সেরে নিচ্ছি।
এদিকে কাপড়ের দোকান ছাড়াও জুতার দোকান, কসমেটিকস এর দোকানেও শিশু থেকে বৃদ্ধরা ভিড় করছেন তাদের পছন্দের জিনিসপত্র কিনতে। তবে সদর উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, পুরুষের তুলনায় নারী ও শিশু ক্রেতারাই ভিড় করছেন মার্কেটগুলোতে। কম দামে ভালো পোশাক কিনতে মার্কেটে আগেভাগেই ছুটে এসেছেন তারা। ভিড় সামলাতে বিক্রেতারাও তাদের নিয়োজিত কর্মচারীর পাশাপাশি বাড়তি লোক নিয়োগ দিতে দেখা যায় দোকানগুলোতে।
বিক্রেতাদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, ১০ রোজার আগে থেকেই ক্রেতাদের চাপ বাড়তে থাকে। তাদের চাহিদামত পণ্য নিতেই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দোকানে ভিড় করে থাকেন। দুপুরের পর বেশি একটা ক্রেতা দেখা মেলেনি। তবে রোজার শেষ দিকে এসে আবার বিকেল থেকে ক্রেতাদের ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে বিক্রেতারা বলেন, সদ্য ঘটে যাওয়া কাপড়ের রাজধানী বঙ্গবাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এই ঈদে বেশি একটা প্রভাব পড়বে না। পাইকাররা ১০ রোজার আগেই মোকাম করে এসেছেন। হয়তো রোজার শেষ দিকে কিছুটা সংকট দেখা দিতে পারে। প্রভাবটা দেখা যাবে ঈদের পরে। এতে কাপড়ের দামও কিছুটা বাড়তে পারে।
এদিকে ঈদকে আনন্দময় করে তুলতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের জান মাল রক্ষায় রাস্তাঘাটসহ মার্কেটগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের কাছে আগাম অনুরোধ জানিয়েছেন মার্কেট কর্তৃপক্ষসহ ক্রেতা-বিক্রেতারা।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন