অনিয়ন্ত্রিত লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে জনজীবন। চলমান রমজানে অতিমাত্রা বেড়ে গেছে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং।
শহর থেকে শুরু করে প্রত্যান্ত গ্রাম অঞ্চলে ও বিভিন্ন সময়ে লোডশেডিং লেগেই থাকছে। এদিকে প্রচন্ড গরমে বিদ্যুৎহীন গ্রাম ও নগরবাসীকে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশুরা। ঘেমে জ্বর-কাশিসহ ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে তারা। বাদ যাচ্ছেন না বয়স্করাও। বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। রোদ ও ভ্যাপসা গরমে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিদ্যুতের কোনো কোনো গ্রাহক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।
লোডশেডিংয়ের কারণে চাঁদপুরে হিমাগারের রাখা পণ্যের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। চাঁদপুরে চিকিৎসা, শিক্ষা, শিল্প–কলকারখানা ও কৃষিতে নেমে এসেছে বিপর্যয়।
চাঁদপুরে লোডশেডিংয়ের কারণে ভোগান্তির মধ্যে আছে মানুষ। কলকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। চাঁদপুরে বিদ্যুাৎ গস্খাহকরা বলেন, সারা দিনে কতবার বিদ্যুৎ যায়, তার হিসাব নেই। ইফতার এবং সেহেরীর সময়ে যখন বিদ্যুাৎ চলে যায়, তখন এ গরমে চরম ভোগান্তীতে পড়তে হয়। গত কয়েকদিন হঠাৎ করে দিনে রাতেই কয়েকার লোডশেডিং হচ্ছে। গরমের কারণে ঠিকমতো ঘুমাতে পারেন না। বাচ্চাটার ঠিকমতো পড়াশোনাও হচ্ছে না।
চাঁদপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ জেনারেল ম্যানেজার দেব কুমার মালো জানান, বর্তমানে গরম বেড়ে গেছে, তাপমাত্রা বেড়ে চলছে, সারা দেশের গরমের প্রকপ বেড়ে গেছে। চাঁদপুরে বিদ্যুতের চাহিদা ৯০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে ৫০ মেগাওয়াট, অর্থাৎ চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ কম পাওয়া যাচ্ছে। গরমের আকার বেড়ে যাওয়ার কারনে বিদ্যুৎতের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে, বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যুৎতের চাহিদা বেড়ে যাবে, লোডশেডিং থাকবে।

সজীব খান