প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩ । ৩:৫০ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

পাইকাস্তাতে রাতের আঁধারে স্প্রে করে ফলজ গাছ নষ্ট করার অভিযোগ

সজীব খান

চাঁদপুর সদর উপজেলার আশিকাটি ইউনিয়নের উত্তর পাইকাস্তা গ্রামে রাতের আঁধারে স্প্রে করে বর্তমান মহিলা সদস্য আয়শা বেগমের ফলজগাছ নষ্ট করার অভিযোগ করেছেন তিনি।

গত সোমবার রাত ১১টায় ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তিনি জানান। এ ঘটনায় তিনি চাঁদপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়,আশিকাটির ৯নং ওয়ার্ডে উত্তর পাইকাস্তা গ্রামের মৃত ওয়াজউদ্দিন হাওলাদারের ছেলে হারুন হাওলাদার (৫৫), হারুন হাওলাদারের ছেলে সোহেল হাওলাদার (৩৫)সহ কয়েকজন মিলে সোমবার রাতে আশিকাটির ৭.৮.৯নং ওয়ার্ডে মহিলা সদস্য আয়শা আক্তারের বসত ঘরের পাশে থাকা ফলজ গাছে স্প্রে করেন, এতে তার বসত ঘরের পাশে থাকা ফলজগাছ গুলো পাতা শুকিয়ে মরে যাচ্ছে, গাছে থাকা কাঁঠাল ঝরে যাচ্ছে।

এ ঘটনায় এলাকার মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারীকে আয়শা বেগম জানালে শনিবার সকাল ৯টায় ইউপি চেয়ারম্যান স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের সাথে নিয়ে ঘটনাটি সরজমিনে গিয়ে পরিদর্শন করেছেন।

আয়শা বেগম জানান, সোমবার রাত ১১টায় তার মেয়ে বিদেশ থেকে ফোন করলে কথা বলার জন্য বাড়ির দোতালায় যান, সেখানে গিয়ে তিনি হারুন ও সোহেল মিলে তার বিভিন্ন প্রকার ফলজগাছে স্প্রে করছেন দেখতে পান। আয়শা বেগমের উপস্থিতি টের পেয়ে হারুন লাইট নিবিয়ে চলে যান। কিছুক্ষণ পরই স্পের গ্যাস আয়শা বেগমের ঘরে প্রবেশ করতে থাকে। বিষাক্ত স্পের গ্যাসে তার ঘরে প্রবেশ করে অনেকের শ্বাস কষ্ট বেড়ে যায়, পরের মঙ্গলবার তিনি বিষাক্ত গ্যাসের গন্ধে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন।

তিনি জানান, হারুন হাওলাদার গং ঘটনার দুই দিন আগে দুটি হাঁস পেরে পেলে, এর আগে ও বাড়ির বাউন্ডারী করার সময় বিভিন্ন ভাবে ক্ষতি করেন। এ ছাড়া ও পূর্বে তাদের একটি ২৬ লাখ টাকার গাড়ি তারা চুরি করেন, জোরপূর্বক তার অর্থে আনা বিদ্যুাৎতের খুঁটি থেকে বিদ্যুাৎ সংযোগ নেন, এ ছাড়া ও তার বাড়ির বাউন্ডারী উপর থেকে সে ওয়াল উঠিয়ে দোকান নির্মান করেন। তার অত্যাচারে বর্তমানে আয়শা আক্তার অতিষ্ঠ হয়ে উঠেন।

প্রত্যাক্ষদর্শী হাসিম জানান, পূর্ব থেকেই আয়শা মেম্বারের সাথে হারুনের দ্বন্ধ বিরাজ মান রয়েছে, দুজানের সাথে মামলা ও হয়েছে, হারুন দুষ্ট প্রকৃতির লোক। বর্তমানে যে ঘটনাটি ঘটিয়েছে, তা সত্যি দুঃখ্য জনক।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত হারুন হাওলাদারের সাথে কথা বলেল তিনি সকল বিষয়গুলোই অস্বিকার করে কথা এড়িয়ে যান।

ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারী বলেন, আয়শা মেম্বার অভিযোগ করলে ঘটনাস্থাল গিয়ে আমি ঘটনাটি দেখেছি, বিষয়টি সত্যি দুঃখ্য জনক। তিনি উপযুক্ত বিচার পাওয়ার জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলে দিয়েছি।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন