চাঁদপুর শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের মা ও শিশু হাসপাতালের বিপরীত এলাকায় সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের নীচে কাটা পড়ে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী নাছিমা বেগম (৬৫) নামে এক নারীর খন্ড-বিখন্ড হয়ে মৃত্যু হয়েছে। তার স্বামী হচ্ছে,চাঁদপুর সদর উপজেলার দাসাদী এলাকার হাসেম খান বাড়ির মুক্তিযোদ্ধা মো: ফয়েজুল্লাহ। সে চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের একজন সদস্য। রেলওযে থানার ওসি জানান,ট্রেনে কাটা পড়া নারী মানসিক বিকারগস্ত ছিল। লাশ পোস্টমডেমের পর তার স্বজনের নিকট হস্তান্তর করা হবে। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করার জন্য জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চাঁদপুর কার্যালয়ে জানানো হলে, তারা নারীর হাতের ফিঙ্গারপিন্ট নিয়ে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে নারীর পরিচয় সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ১টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি চাঁদপুরে প্রবেশকালে চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের কিলো (১৭৭) ৮/৯ মাঝমাঝি স্থানে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মরিয়ম বেগম, রকিবুল হাসান ও আলী হোসেন জানান, অজ্ঞাতনামা ওই নারী বেশ কিছুদিন ঘটনাস্থল এলাকায় ঘুরাফেরা করতে দেখাগেছে। রেললাইনের পাশেই সে বসে থাকত। অনেকেই মানসিক রোগী মনে করেছেন নারীকে। তাৎক্ষনিক এলাকাবাসী ট্রেনে নারী কাটা পড়ার খবর রেলওয়ে পুলিশকে জানালে, পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে খন্ড বিখন্ড মরহে উদ্ধার করে চাঁদপুর রেলওয়ে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।
চাঁদপুর রেলওয়ে (জিআরপি) থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুরাদ উল্লাহ বাহার জানান, সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছি। ওই নারী বয়স আনুমানিক ৬৫ বছর হবে। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করার জন্য জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চাঁদপুর কার্যালয়ে জানানো হয় । তারা নারীর হাতের ফিঙ্গারপিন্ট নিয়ে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে নারীর পরিচয় সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। এ বিষয়ে চাঁদপুর রেলওয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অনলাইন ডেস্ক