চাঁদপুরে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ মিছিলে হামলার অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। তাদের দাবি এতে সংগঠনটির গণ, যুব ও ছাত্র ইউনিটের ৮-১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানান, ১১ আগস্ট শুক্রবার বিকাল ৪ টায় চাঁদপুর শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সড়কের সিএনজি স্ট্যান্ডের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
চাঁদপুরে বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দরা জানান, শুক্রবার কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লার মুক্তি এবং গনঅধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নুরুল হক নুরের উপর হামলার প্রতিবাদে চাঁদপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করা হয়।
জেলা গণঅধিকার পরিষদের আয়োজনে এই কর্মসূচিতে যুব অধিকার, ছাত্র অধিকার এবং শ্রমিক পরিষদের কয়েক শতাধিক নেতা-কর্মী অংশ নেয়। শান্তিপূর্ন সমাবেশের লক্ষ্যে তারা শহরের ছায়াবানী মোড় এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে শপথ চত্বর এলাকায় সমাবেশ স্থলে রওনা দেয়।
মিছিলটি মুক্তিযোদ্ধা সড়ক দিয়ে সিএনজি স্ট্যান্ডের সামনে গেলে সেখানে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বিপরীত দিক থেকে আসা ছাত্রলীগের একটি মিছিল আতর্কিত হামলা চালায়। এতে চাঁদপুর জেলা ছাত্র, যুব ও গনঅধিকার পরিষদের প্রায় ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়।
চাঁদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সংগঠক আশরাফুজ্জামান কাজী রাসেল বলেন, চাঁদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে আমাদের ৮-১০ জন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছে। চলমান ১দফা আন্দোলনে ভীত হয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা এখন বিরোধীদের উপর চড়াও হচ্ছে।
মিছিলে নেতৃত্বে দেন চাঁদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সংগঠক কাজী রাসেল, উমর সালমান, জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরহাদ হোসেন সহ নেতৃবৃন্দ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: