প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৩ । ১১:০৬ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

আলু শূন্য মতলব উত্তরের বাজার, বিপাকে সাধারন মানুষ

মনিরুল ইসলাম মনির

বাজার নিয়ন্ত্রণে বেঁধে দেওয়া দাম বাস্তবায়নে সরকারের কঠোর অবস্থানের পর আলু-শূন্য হয়ে পড়েছে মতলব উত্তরের কাঁচাবাজার। কোন দোকানেই মিলছে না আলু। এতে অনেকটাই ভোগান্তিতে পড়েছেন আলু ক্রেতারা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে আলুর দাম সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি হওয়ায় আলু আনছেন না তারা।

নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে হিমসিম অবস্থার মধ্যে গত ১৪ সেপ্টেম্বর চারটি পণ্যের দাম বেঁধে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এতে প্রতিকেজি আলুর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে আলু ৩৫ টাকা। আর প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৬৫ টাকা, ডিম প্রতি পিছ ১২ টাকা আর প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি করতে হবে ১৬৯ টাকায়।

সরকার দাম বেঁধে দিলেও তা বাজারে বাস্তবায়ন হয়নি। এরমধ্যে সারাদেশের কাঁচাবাজারে অভিযান শুরু করে ভোক্তা অধিদপ্তর। অতিরিক্ত দামে আলু বিক্রি করায় কোল্ড স্ট্রোরেজ মালিকসহ বহুজনকে জরিমানা করা হয়েছে। তারপরেও বাজার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, মতলব উত্তরের ছেংগারচর বাজারসহ অন্যান্য কাঁচাবাজারে গোল আলু নেই। এতে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা। এই পরিস্থিতির জন্য ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে দায়ী করছেন তারা।

আলু কিনতে আসা ক্রেতা রফিক বলেন, সোমবার সকাল থেকেই মতলব উত্তরের বাজারে আলু নেই। অনেক দোকানদার দোকান বন্ধ করে রেখেছে সরকার নির্ধারিত দামে আলু বিক্রি করবে না বলে। খোঁজ নিলে আড়তে আলু পাওয়া যাবে, কিন্তু দোকান মালিকরা কম দামে আলু বিক্রি করতে হবে বলে দোকানে আসছে না।

আরেক ক্রেতা সফিকুল ইসলাম বলেন, আলুর প্রয়োজনীয়তা কখনো অন্য সবজি মেটাতে পারে না। তাই অতি দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করা হোক।

বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি আলুর দাম ৪০ থেকে ৪২ টাকা। তাই খুচরা বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে তা বিক্রি করা সম্ভব নয়। এ কারণে তারা আলু আনছেন না, বিক্রিও করছেন না।

ছেংগারচর বাজার বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ লস্কর বলেন, জেলা প্রশাসনের বেঁধে দেয়া ৩৬ টাকা দামে আলু বিক্রি করতে বলায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পাইকারি বাজারে ৪২ টাকা দরে আলু কিনে ৩৬ টাকায় বিক্রি সম্ভব না। এতে ব্যবসায়ীরা মোকাম থেকে আলু আনা বন্ধ করে দিয়েছে। তাই বাজার আলু শূন্য।

অবশ্য, ব্যবসায়ী সমিতির দাবি, ব্যবসায়ীদের কাছে যা আলু ছিল তা প্রশাসনের নির্ধারিত দামে বিক্রি শেষ। সমিতির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন বলেন, সরকার নির্ধারিত দামে আলু বিক্রি করতে গেলে ব্যবসায়ীদের লোকসান হচ্ছে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন