কার্তিক মাসের শুরুতেই কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়েছে চাঁদপুর জেলা। ভোর থেকে সকাল প্রায় ৯টা পর্যন্ত হালকা কুয়াশায় ঢেকে থাকে চাঁদপুর।
আশ্বিনের কয়েক দিনের বৃষ্টির পর চলতি বছর আগাম শীত অনুভব হচ্ছে চাঁদপুরের বিভিন্ন উপজেলায়। ফসলের মাঠে উঁকি দিচ্ছে নতুন বীজের প্রস্ফুটিত চারা। তাতে শিশির বিন্দু ছড়িয়ে দিচ্ছে মৃদু শীতলতা।
চাঁদপুরে দিনের বেলা কিছুটা গরম থাকলেও সন্ধ্যা নামার পর থেকেই কুয়াশায় আস্তে আস্তে ঢেকে যায় গ্রামাঞ্চলের রাস্তাঘাট।

জেলার কিছু কিছু স্থানে সকাল ৮টা পর্যন্ত হেডলাইট জ্বালিয়ে সড়কে চলছে যানবাহন। কার্তিকের শুরু থেকেই চারদিকে কুয়াশার মৃদু আবরণ আর নতুন ধানের মিষ্টি গন্ধ জানান দিচ্ছে হেমন্তের উপস্থিতি। কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাস জুড়েই হেমন্তের বিস্তৃতি। শরতের কাশফুল মাটিতে নুইয়ে পড়ার পরপরই হাজির হয় হেমন্ত।
এরই মধ্যে পড়তে শুরু করেছে ঘন কুয়াশা। শেষ রাতের দিকে অথবা খুব সকালে শীত অনুভূত হচ্ছে।
কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা বললে তারা জানান, প্রতিবছর চাঁদপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শীতের তীব্রতা একটু বেশি থাকে। গত কয়েকদিন থেকে রাতে ও সকালে বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশাচ্ছন্ন থাকে।
এসব এলাকায় শীতের অনুভব হচ্ছে। এক সপ্তাহ ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সকাল হলে কুয়াশায় ঢেকে যায় গ্রামের রাস্তাঘাট। বৃষ্টির মত পড়ছে কুয়াশা।

মাসুদ হোসেন