হরতালের প্রভাবে চাঁদপুর থেকে রাজধানী ঢাকামুখী যাত্রীবাহী লঞ্চ নির্ধারিত সময় ছেড়ে যাচ্ছে না। ফলে দুর্ভোগ বেড়েছে যাত্রীদের।
এতে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীদের সঙ্গে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরে নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান জানান, লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রী ও লঞ্চগুলোর নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া হরতালের প্রভাবে সড়ক পথে বন্ধ রয়েছে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস চলাচল। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে যাত্রীদের।
এদিকে, সকালে হরতালের পক্ষে এবং বিপক্ষে শহরে মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সকাল সাড়ে ১০টায় চাঁদপুর সরকারি কলেজ গেটে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এসময় ইটের আঘাতে ছাত্রদলের তিনজন আহত হন। এদের মধ্যে রয়েছেন সারোয়ার গাজী, ফয়সাল বাহার এবং সম্রাট বেপারী। তারা ছাত্রদলের সাবেক নেতা। এমন পরিস্থিতিতে কলেজ গেট ও তার আশপাশে বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে।
জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম দুলাল পাটোয়ারীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। দিনব্যাপী হরতাল পরিস্থিতিতে যান ও মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাঁদপুরে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। এরইমধ্যে হরতালে পিকেটিং করার সময় জেলার বিভিন্নস্থান থেকে ১৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, দিনব্যাপী চলমান এই হরতালে বিচ্ছিন্ন দুই একটি ঘটনা ছাড়া গোটা জেলার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। তাছাড়া মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় পুলিশের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেছেন।

নিজস্ব প্রতিনিধি