চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড ভাটেরগাঁও খান বাড়ি (হাতি বাড়ি) সুমন খানের বড় মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (১৩) নামে এক স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
নিহত শিক্ষার্থী একই ইউনিয়নের সাহাতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনীর ছাত্রী।
সোমবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সুমাইয়া আক্তার এদিন সকালে চা আর বিস্কিট খেয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে বিকেল ৪টার দিকে বাড়িতে এসে খাবার খেয়ে দাদীর কপালে মলম মেখে দিয়ে অন্য রুমে গিয়ে শুয়ে পড়েন।
কিছুক্ষণ পর তার ছোট বোন তাকে ডাকতে এসে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে মাকে গিয়ে জানালে মা এসে দেখে সুমাইয়া নিস্তব্ধ হয়ে খাটে শুয়ে আছেন। পরে ২৫০ শয্যা চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে সুমাইয়া আক্তারের দাদী বলেন, আমার ছেলে পেশায় একজন সিএনজি চালক। আমার নাতনি খুবই শান্ত সৃষ্ট ছিলেন। সে আমাকে হঠাৎ মাথায় ঝিম ঝিম করার কথা জানালে আমি তাকে শুয়ে থাকতে বললে সে অন্য রুমে গিয়ে শুয়ে থাকে। কিছুক্ষণ পর দেখি তার এই অবস্থা। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার আমার নাতনিকে মৃত ঘোষনা করেন।
ইউপি সদস্য সোহাগ পাটওয়ারী বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি। তবে আমার জানা মতে এটি একটি স্বাভাবিক মৃত্যু। ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান নান্টু পাটওয়ারী বলেন, আমি নিহত ছাত্রীর বাড়িতে গিয়েছি। অসহায় পরিবারের এই মেয়েটি খুবই নম্র ভদ্র ছিল। দুই বোনের মধ্যে সুমাইয়া বড়। তবে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে এদিন রাতেই চাঁদপুর সদর মডেল থানার এসআই জাকির সুমাইয়া আক্তারের বাড়িতে এসে তদন্ত করে যান।
সেসময় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদুর রহমান নান্টু পাটওয়ারী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আখতারুজ্জামান পাটওয়ারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাজান হাওলাদার সাজু, আবু নোমান পাটওয়ারী, ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সোহাগ পাটওয়ারীসহ এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মাসুদ হোসেন