প্রকাশের সময়: সোমবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৪ । ৭:৪৩ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বাবার বিরুদ্ধে শিশু সন্তান বিক্রির অভিযোগ মায়ের

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী

নয় মাস বয়সী শিশু সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছে বাবা ইকবাল মুন্সী। সেই সন্তানকে ফেরত চেয়ে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন মা নয়ন বেগম।

শনিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর শহরের চেয়ারম্যানঘাট এলাকায় এসব তথ্য গণমাধ্যমকে জানান মা নয়ন বেগম।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, নয়ন বেগমের নয় মাসের সন্তান ইসরাত ইভা। বিবাহের পর থেকে যৌতুকের টাকার জন্য মারধর করে। এক পর্যায়ে যৌতুকের টাকা বিবাদীগণকে না দেওয়ার কারণে গেলো ১৬ ডিসেম্বর জোর পূর্বক একটি তালাকনামা কাগজে ও ১০০ টাকা মূল্যের ৩টি খালি ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। তারপর বিবাদীগণ জানান স্বামীর সাথে তালাক হয়ে গেছে। ওই সময় তার কোলে থাকা ৯ মাসের শিশুকে জোর পূর্বক ছিনাইয়া নেয়।

মা নয়ন বেগম জানান, স্বামীর বাড়ির এলাকার মেম্বার সুমন তার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নেয়। শালিশী বৈঠকের সময় যাতে তার বাচ্চাটা স্বামীর কাছে না দেয় সেজন্য এই টাকা নেয় সমুন মেম্বার। এই সন্তানকে ফেরত চাই। তা না হলে বেঁচে থেকে লাভ কি ?

শিশুটির মা আরো জানান, লোকমারফতে জানতে পেরেছেন গত ১৬ ডিসেম্বর শাহরাস্তির ওয়ারুক এলাকায় তার মেয়েকে ইকবাল ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন। ৪ জানুয়ারি থানায় অভিযোগ করে এখন পর্যন্ত কোন সাড়া পাইনি।

অভিযুক্ত ইকবাল মুন্সী মুঠোফোনে জানান, গত ১৫ ডিসেম্বর নয়ন বেগমের সাথে তারা বৈঠকের মাধ্যমে তালাক হয়েছে। সুবিদপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সুমন, নয়নদের এলাকার বেলায়েত চেয়ারম্যান, বড়গাঁ গ্রামের আশু, জামাল, আবু তাহের, ফারুক হোসেন ও বাবুল নামে ব্যাক্তিদের উপস্থিতিতে শালিশ বৈঠক হয়। তালাকের পরে শিশু সন্তানকে পিতার জিম্মায় দেয়া হয়।

তিনি আরো জানান, নয়ন বেগমের অন্য ছেলের সাথে সম্পর্ক আছে। যে কারণে তাকে তালাক দেয়া হয়েছে। সন্তান বিক্রির যে অভিযোগ থানায় করেছে সে। সেটি সঠিক নয়। আমি আমার এক সম্পর্কের খালাত বোনের কাছে সন্তানকে লালন পালন করার জন্য দিয়েছি। ফরিদগঞ্জ থানার পুলিশ মাহফুজ আমকে ফোন দিয়েছে। পরে আমি বিষয়টি আমাদের এমপির লোক খাজে আহমদকে জানিয়েছি। তিনি বলেছেন পুলিশকে খাজা আহমদের নাম বলতে তাহলে কোন সমস্যা হবে না।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন