প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১২ মার্চ, ২০২৪ । ১০:০০ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সেচ প্রকল্পের বাঁধ ভেঙ্গে হুমকিতে সাড়ে ৩ হাজার একর কৃষি জমির বোরো আবাদ

মো. মাসুদ হোসেন
ডাকাতিয়া নদীতে কমে যাচ্ছে পানি, তার ওপর পাম্প হাউজের বাঁধ ভেঙ্গে পানি পূণরায় চলে গেছে নদীতে।
এ কারনে সহসাই চালু হচ্ছে না চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের কামরাঙা সেচ প্রকল্প। হুমকির মুখে পড়েছে ঐ এলাকার বোরো আবাদ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গত সোমবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাতের যেকোন সময় উক্ত সেচ প্রকল্পের দেয়া বাঁধে সুড়ঙ্গ হয়ে পানি বের হয়ে নদীতে চলে যায়। মঙ্গলবার ভোররাতে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান কামরাঙা সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার শাহাদাত হোসেন জাকির পাটওয়ারী।
জানা যায়, এ সেচ প্রকল্পের আওতায় উক্ত এলাকার প্রায় সাড়ে তিন হাজার একর কৃষি জমিতে চলছে বোরো আবাদ। বোরো চাষকৃত এসব জমিগুলো এখন শুকনো হয়ে আছে। এর কয়েকদিন আগেও উক্ত বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দিলে তা সংস্কার করা হয়। তাই গত কয়েকদিন সেচ কাজে পানি নিষ্কাশন বন্ধ থাকায় জমিগুলো এখন পানি শূন্য।
এমতাবস্থায় বোরো চাষ নিয়ে চিন্তিত এক হাজারের বেশি কৃষক। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ সেচ প্রকল্পের বাঁধ মেরামত করা না হলে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবেন এখানকার কৃষকরা।
উক্ত সেচ প্রকল্পের সদস্য ও রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার সাকিবুল হাসান খান বলেন, গত মাঘ মাসে আমরা এই স্কিমটি চালু করেছি। বোরো আবাদের মাঝ দিকে এসে স্কিমের বাঁধ ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে আমাদের। তাই উক্ত ক্ষতি থেকে কৃষক ও স্কিম কর্তৃপক্ষকে বাঁচাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সহ চাঁদপুর সদর ইউএনও এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সু দৃষ্টি কামনা করছি।
এ বিষয়ে কমরাঙা সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার শাহাদাত হোসেন জাকির পাটওয়ারী বলেন, রামপুর ইউনিয়নের কামরাঙা, মহেশপুর, দেবপুর, বড় সুন্দর, পাঁচ বাড়িয়া এলাকার কৃষি জমিগুলো এই স্কিমের আওতায়। গত কয়েকদিন আগেও স্কিমের যে বাঁধ ছিল সেটি ভেঙ্গে গেলে ২-৩ দিন ধরে মেরামত করেছি। মঙ্গলবার ভোররাতে আবারও সুড়ঙ্গ হয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উক্ত এলাকার কৃষি জমিগুলো এই স্কিমের উপর নির্ভর করে। তাই উক্ত এলাকার কৃষকদের কথা চিন্তা করে সু দৃষ্টি দেয়ার জন্য চাঁদপুর বিএডিসি সহ চাঁদপুর জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।
চাঁদপুর জেলা বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী ইমরুল কায়েস মির্জা কিরণ বলেন, বিষয়টি জেনে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি।
উক্ত এলাকার কৃষি জমিগুলোতে পানি সরবরাহ করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন