প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৪ । ১২:১২ এম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে ৫ টাকা কে কেন্দ্র করে অর্ধ-শতাধিক বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাট 

অনলাইন ডেস্ক
মতলব উত্তর উপজেলার ৮নং এখলাসপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে ০৫ টাকা ভাড়া দেওয়া কে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে অর্ধ-শতাধিক বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় দশটি অটো-রিকশা ভাঙচুর সহ অর্ধ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
২২ এপ্রিল (রবিবার) দিবাগত রাতে উপজেলার এখলাসপুর পুরনো বেরিবাধ এলাকায় হামলা করে অর্ধ-শতাধিক বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। হামলায় শিশু- বৃদ্ধাসহ অন্তত শতাধিক নারী পুরুষ মারাত্মক আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে দু’জন আশংকাজনক অবস্থায় চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ইমরান জানান, ঈদের দ্বিতীয় দিনে এখলাসপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সদস্য ঝর্ণা মেম্বারের ছেলে মিরাজের সাথে অটো-চালক মোহন মোল্লার সাথে ৫ টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটি থেকে তা হাতাহাতি তে রূপ নেয়, সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত রবিবার সন্ধায় ঝর্ণা মেম্বারের ছেলে মিরাজ ও তার বন্ধুরা এলাকাবাসীর উপর হামলা করে এই ঘটনায় মোহন মোল্লা গিয়ে তাদের উপর হামলা করে মোটরসাইকেল ভাংচুর করে।
সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার দিবাগত রাতে বোরচর থেকে ট্রলারে করে অর্ধ-শতাধিক লোকজন মুখ বেঁধে শর্টগান থেকে এলোপাতাড়ি ফাকা গুলি ছাড়ে এবং রামদা দিয়ে বাড়িঘরের টিন ও দরজা ভেঙে মানুষজনের উপর হামলা ও নগদ টাকা লুটপাট করে। তারা আমার ঘরে হামলা করলে আমার ৮ মাসের বাচ্চা ভয়ে চিৎকার ও দম বন্ধ হবার উপক্রম ঘটে। এই ঘটনায় মাননীয় সংসদ সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আমরা এলাকাবাসী এই ঘটনার সুষ্ঠ বিচার ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।”
অপর এক ভুক্তভোগী রেফায়েত মোল্লা বলেন,”আমি ও আমার পরিবার ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলাম হঠাৎ করেই গোলাগুলি শব্দে ঘুম ভাঙ্গলে দেখি আমার ঘরের উপর হামলা হচ্ছে এবং গতকাল নতুন কেনা অটো রিক্সাটি ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলা হয়েছে। পরে তারা ঘরে ঢুকে ঘরে থাকা ঋণ শোধ করার পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এবং দা দিয়ে কোপ দিয়ে পা কেটে ফেলে।”
উপজেলার বোরচর গ্রামের মৃত জাকির বকাউলের ছেলে সিদ্দিক বকাউলের নেতৃত্বে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সিদ্দিক বকাউল এর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে এখলাছপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না বলেন, “রাতের আঁধারে নিরীহ মানুষের উপর হামলা একটি নির্মমতার বহিঃপ্রকাশ। আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিষয়টিতে গভীর নিন্দা ও দুঃখ প্রকাশ করছি।”
মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহীদ হোসেন জানান, ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এসেছি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন