চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার ঠাকুর বাজারে আগুন লেগে প্রায় ১৪ টি দোকান ও অন্যান্য স্থাপনা পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়।প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে কোন দোকানের লাকড়ীর চুলা থেকে সৃষ্টি হয়েছে এই অগ্নিকান্ড।
অগ্নিকান্ডে আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল)ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার ঠাকুর বাজারের পূর্ব অংশে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
সংবাদ পেয়ে শাহরাস্তি ফায়ার সার্ভিসের দমকল বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে দীর্ঘক্ষন চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।এরি মধ্যে ১৪ টি দোকান ও অন্যান্য কয়েকটি স্থাপনা পুড়ে যায়।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বহু দোকান ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়।
অগ্নিকান্ডের ব্যাপারে দোকান ব্যবসায়ীরা জানান,সোমবার ব্যবসা শেষে আমরা যার যার মতো করে দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যাই।ভোর রাত সাড়ে তিনটার দিকে হঠাৎ আগুনের সৃষ্টি হয়ে মূহুর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখায় ১৪টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।পরে ফায়ার সার্ভিসের দমকল বাহিনী পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে অবশিষ্ট দোকান পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করেন।
পুড়ে যাওয়া দোকানের মধ্যে আলী হোসেন রতনের কুটির শিল্পের দোকান, আক্তার হামিদের মশলার দোকান, ইসমাইল হোসেনের আলুর দোকান,সিরাজুল হকের মুদি দোকান,বাচ্চু মিয়ার কাচাঁ মালের আড়ৎ,মোশাররফ হোসেনের কাচাঁ মালের আড়ৎ,পরেশ সাহার মুদি দোকান,অনিল সাহার খাবার হোটেল,দেলোয়ার হোসেনের সুতা ঘর,আব্দুর রবের লন্ড্রী হাউস,কামাল হোসেনের কাচাঁ মালের আড়ৎ,নুরুল ইসলামের মুদি মালের গুদাম,রবিউল হোসেনের কাচাঁ মালের গোডাউন ও কামরুল হোসেনের কাচাঁ মালের আড়ৎ।
এদিকে ঠাকুর বাজারের অগ্নিকান্ডের ঘটনার সংবাদ পেয়ে মঙ্গলবার দিনের বেলায় শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওঃ আবুল হোসাইন, উপজেলা জামায়াতের আমীর জননেতা জনাব মোস্তফা কামাল,পৌর আমীর মাওলানা জাহাঙ্গীর আলমসহ জামায়াত শিবিরের একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক ও ব্যবসায়িদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের অপূরনীয় ক্ষতি হওয়ায় সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি