প্রকাশের সময়: সোমবার, ১০ জুন, ২০২৪ । ৯:২০ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইমচরে কলেজের জমি দখল করে ভবন নির্মাণ

মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি
হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী মালের হাট বালিকা কলেজের জায়গা দখল করে রাতের আধারে ভবন নির্মান করছেন স্থানীয় শেকান্তর বেপারীর ছেলে বিল্লাল বেপারী। এ ব্যাপারে রাজনৈতিক চাপের মুখে নিরব ভূমিকায় রয়েছে ঐ কলেজ কর্তৃপক্ষ।  কলেজের সম্পদ দখল করে রাতের আধারে পাকা ভবন নির্মান করার বিষয়ে কর্তৃপক্ষ নিরব থাকায় এলাকা জুড়ে রয়েছে সমালোচনা। তবে স্থানীয়দের দাবী কলেজের জমি দখল মুক্ত করতে প্রয়োজন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সামনে দিয়ে টিনের চাউনি দিয়ে ভিতরে ইটের ৪দেয়াল উঠিয়ে কাজ বন্ধ করে রেখেছে। স্থানীয় লোকজনের সাথে আলাপ করলে জানাজায়, দিনের বেলায় যাতে কেউ না দেখে তাই রাতের বেলায় শ্রমিক দিয়ে কাজ করানো হয়। রাতের আধারে কাজ করে ইটের দেয়াল উঠানো হয়ে গেছে। এক প্রকারের জোর করেই ভবন নির্মান করতেছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ দেখেও যেন না দেখার ভান করছে। এলাকাবাসী জানায়, মালের হাট যুব সংগ স্থানীয় শেকান্তর বেপারীর কাছ থেকে ৮০ শতাংশ  জমি ক্রয় করে এমজে এস স্কুল & কলেজের নামে ৬০ শতাংশ দান করেন। কলেজের ৬০ শতাংশ জমির মধ্যের অংশে এ পাকা ভবন নির্মান করে জায়গা দখল করছে শাহলম বেপারী।
এবিষয়ে অভিযুক্ত শাহলম বেপারীর সাথে আলাপ করতে চাইলে তিনি কোন কথা বলতে রাজি নন বলে জানান।
এমজে এস বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় & কলেজ প্রধান শিক্ষক সরদার মাহবুব জানান, আমাদের কলেজের জায়গা নিয়ে এমনিতে ২ টি মামলা উচ্চ আদালতে রয়েছে। ঐ মামলায় কলেজের পক্ষে রায় হওয়ার পরে আবার আপিল করেছে। এর মধ্যে আবার নতুন করে শাহলম বেপারী জায়গা দখল করে ভবন নির্মান করছে। এবিষয়ে যাতে আমরা কোন হস্তক্ষেপ না করি তার জন্য রয়েছে রাজনৈতিক চাপ। বলতে গেলে আমরা অনেক চাপ সৃস্টির মধ্যে আছি। আপনারা যাতে লেখনির মাধ্যমে কলেজের  জায়গা উদ্ধার করতে পারেন। কলেজের হয়ে আপনারা  কাজ করুন, যাতে কলেজের জায়গাটুকু দখল মুক্ত হয়।
এমজে এস স্কুল & কলেজ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এস এম আল মামুন সুমমন জানান, মালের হাট যুব সংগ ৮০ শতাংশ জমি ক্রয় করে ৬০ শতাংশ জমি আমাদের কলেজকে দান করেছেন। এখন এখানে সরজমিনে জমিন আছে ৬৬ শতাংশ।  এর মধ্যে ৬ শতাংশ  জমির উপর মালের হাট যুব সংগের অফিস। এখানে যতটুকু জায়গা আছে মালের হাট যুব সংগ ও কলেজের জায়গা। ৩য় পক্ষের কেউ এসে জোর করে ভবন নির্মান করবে এটা ঠিক না। এটা সম্পূর্ণ ভাবে বেয়াইনী। কলেজটা আমাদের সকলের, এসম্পদ সকলে মিলে মিসে রক্ষা করতে হবে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন