কচুয়ায় সোয়ামিল মিস্ত্রী মো. আলমগীর হোসেন (৪০) কে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে ফাঁসির কার্যকর করার দাবীতে মানবন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
সোমবার বিকালে কচুয়া পৌর বাজারের পল্টন ময়াদানে এ মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিহত আলমগীর হোসেনের স্ত্রী খালেদা বেগম, তার চাচাতো ভাই ইসমাইল হোসেন ও সহিদুল ইসলাম, তার সহকর্মী হাসান আলী।
মানব বন্ধনে বক্তব্যরা বলেন, একই বাড়ির মৃত শামছুল হকের পুত্র জামাল হোসেন ও তার স্ত্রী মাইনুর বেগম পূর্ব পরিকল্পিতভাবে গত ৬ আগস্ট তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরীহ সোয়ামিল মিস্ত্রী আলমগীর হোসেন ৮/১০জন লোকজন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে অর্তকিত হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। একপর্যায়ে তাদের হামলায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে আলমগীর হোসেন। আমরা অচিরেই আলমগীর হত্যার ঘটনার সাথে জড়িতেদের আইনের আওতায় এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করার দাবী জানাই।
নিহত আলমগীরের স্ত্রী খালেদা বেগম বলেন, গত মঙ্গলবার বিকালে বাড়ির সীমানায় বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাড়ির অন্য অংশীদারদের সাথে আমাদের ঝগড়া হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাজী জামাল ও তার স্ত্রী মাইনুর এর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী অর্তকিত হামলা চালিয়ে আমার স্বামীকে পিটিয়ে হত্যা করে।
আমি ও আমার পরিবারের অন্যান্যরা এগিয়ে আসলে তাদের হাতে আমরাও হামলার শিকার হই। আমার দুই ছেলে আবু রায়হান (১০), বায়েজিদ (০৬) ও মেয়ে ফাতেহা আক্তার (০৩) নামের ৩টি সন্তান রয়েছে।
অকালে স্বামী হারিয়ে এতিম ৩ সন্তাদেরকে নিয়ে আমি কোথায় গিয়ে ঠাই নিবো। যারা আমার সন্তাদেরকে এতিম করেছে আমি তাদের ফাঁসি চাই।

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া