প্রকাশের সময়: বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৪ । ৬:০৮ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

জালিয়াতির মামলায় পুলিশ আসামীর যোগসাজস  

এস. এম ইকবাল
তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়ার আগেই বিবাদীর হাতে আসার এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ওই তদন্ত প্রতিবেদনে আবার অভিযুক্ত এক দলিল লেখককে নির্দোষ ঘোষনা করা হয়েছে। আর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই চাঁদপুরের একজন পুলিশ পরিদর্শক। ফরিদগঞ্জে দলিল জালিয়াতির ঘটনায় আদালতে দায়েরকৃত মামলার ঘটনা এটি।

জানা গেছে, ফরিদগঞ্জ উপজেলার জনৈক নুরুল ইসলাম তার ছেলে হাসান ইসলামকে দুই দাগে মোট ১১ শতক ভুমি হেবা করে দেন। হেবা করার পর দলিল লেখক ও তার ছেলে জালিয়াতি করে দলিলের তফসিল পরিবর্তন করে এক দাগে ১১ শতক জমি খারিজ করে নেন। এই ঘটনায় নুরুল ইসলাম চাঁদপুর আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়। পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক কবির আহাম্মদ মামলা তদন্ত করেন।

আদালতের মাধ্যমে নয় বরং মামলার তদন্ত রিপোর্টের কপি বিবাদী দলিল লেখকের মাধ্যমে সাংবাদিকদের হাতে আসে। সাংবাদিকদের কাছে ওই দলিল লেখক আ: করিম সদর্পে জানান, পিবিআই তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে এই তদন্তের কপি তাকে দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। যদিও আগামী ২৪ অক্টোবর মামলার পরবর্তী নির্ধারিত দিনে  আদালতের মাধ্যমে তদন্ত রিপোর্ট বিষয়ে জানার কথা বাদী ও বিবাদীদের।এব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কবির আহাম্মদ মুঠোফোনে সাংবাদিকদের কাছে বিবাদীর কাছে প্রতিবেদন দেয়ার কথা অস্বীকার করেছেন।

এদিকে আদালতে দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, মামলার অন্তত ৩জন স্বাক্ষীর সাথে তদন্তকারী কর্মকর্তা  কোন যোগাযোগ করেননি। তিনজন স্বাক্ষীর মুঠো ফোন নাম্বার হিসেবে বাদী মুঠো ফোন নাম্বার জুড়ে দেয়া হয়েছে। সকল স্বাক্ষীর সাক্ষ্য অবিকল একই রকম দেখানো হয়েছে। দলিল লেখককে অব্যাহতি দিতে জালিয়াতির ঘটনা তদন্তে কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। খারিজ জালিয়াতির অভিযোগ হলেও তদন্তে খারিজের আবেদনটি পর্যালোচনা করা হয়নি। আবেদনের ৪টি স্থানে দলিল লেখকের মুঠো ফোন নাম্বার উল্লেখ থাকলেও তদন্তে প্রতিবেদনে সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য নেই। দলিলে তফসিল সম্বলিত ভুয়া পাতাটি কোথা থেকে কিভাবে এলো সেটি খতিয়ে দেখা হয়নি। অথচ ওই দলিল দিয়ে খারিজের আবেদনে সময় তফসিল জালিয়াতি কিভাবে হলো তার কোন তথ্যই নেই। কে বা কারা এই অপকর্ম কিভাবে করলো তার সুনিদিষ্ট কোন তথ্য নেই। জালিয়াতির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তদন্তকারী কর্মকর্তা কবির আহাম্মদ বলেন, ‘আপনি কে? আপনি কি আমাকে এসব প্রশ্ন করতে পারেন?

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন