হাজীগঞ্জ উপজেলার দ্বাদশ ইউনিয়নের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধাকে ব্যাপক মারধর করার হয়েছে।
গত ০১/১২/২০২৪ খ্রিঃ রোজ রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে দ্বাদশ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের অসহায় মুনসুর আলীর স্ত্রী শামছুর নাহার ৫০ কে ব্যাপক মারধর করে গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে হীগঞ্জগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় হাজিগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, দ্বাদশ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইছাপুরা (কোকা গাজী হাজী বাড়ি), অসহায় হতদরিদ্র মনসুর আলী, এবং তার স্ত্রী শামছুর নাহার (৫০) এর উপর একই বাড়ির আঃ রহমান (২২), পিতা-আঃ রহিম, শাহানারা বেগম (৪০), স্বামী-আঃ রহিম, মোঃ কবির হোসেন (৪৫), পিতা-মৃত ওহাব আলী, সর্ব সাং-ইছাপুরা (কোকা গাজী হাজী বাড়ি), তারা ঘটনাটি ঘটনা। ঘটনার দিন অসহায় দিনমজুরে মনসুর আলী এবং তার স্ত্রীকে ব্যাপক মারধর করে।
বিষয়ে শামছুর নাহার বলেন আমি একজন অসহায় ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নারী, আর যারা আমাদের উপর হামলা করেছে তারা সন্ত্রাস, মাস্তান, অবাধা, জোর জুলুমবাজ,অন্যায়-অত্যাচারী ও আইন অমান্যকারী মান্যকারী প্রকৃতির লোকজন।
বাড়িতে আমরা অসহায় পরিবার হওয়ার কারনে বিভিন্ন বিষয় নিয়া উল্রেখিত ব্যাক্তিগন পূর্ব থেকেই আমাদের সহিত অন্যায় অত্যাচার সহ মারধরের ঘটনা করে আসছে। তারা বাড়ির তুচ্ছ বিষয় নিয়া অযথাই আমাদের মারধর সহ নানান হমকি ধমকি প্রদান করে নিয়মিত।
অভিযুক্ত রহমান আমার ছোট মেয়ে নাহিদা আক্তার (১৪) কে অশ্লীল কথাবার্তা নানান কু-প্রস্তাব দিলে আমার মেয়ে তার প্রস্তাবে প্রতিবাদ করিলে আঃ রহমান আমার মেয়েকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেথাকে। সেই সময় আমার মেয়ের প্রতিবাদ করায় তারা আমাদের উপর হামলা করে, আমাদেরকে হামলা করে গুরতর আহত করে, আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি, আমরা অভিযুক্তদের উপযুক্ত বিচার দাবি করছি।
উপযুক্ত বিচার পাওয়ার জন্য আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি।
এ বিষয়ে হাজিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, মারধরের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, ভুক্তভোগীদের ন্যায় বিচার যেন পায় তার ব্যবস্থা করা হবে। আপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোন অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবেনা।
অভিযোগের পর হাজিগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন।

নিজস্ব প্রতিনিধি