রোববার (২ মার্চ) দুপুরে শহরের মোলহেডে জেলা প্রশাসন ও চাঁদপুর জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজিত সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন
জেলা প্রশাসক বলেন, আমাদের দুই মাসের অভিযানটি সফল করতে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। অভিযান চলবে ২ মাস কিন্তু চাল দেয়া হয়েছে ৪ মাসের। আপনারা (জেলেরা) যেন লাভবান হতে পারেন তার জন্যেই এ অভিযান। অভিযান মেনে চললে ২ মাস পরে আমরা বড় মাছ পাওয়ার সুযোগ পাব। চূড়ান্ত যে ফলাফল তা হচ্ছে দেশের মৎস উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও বলেন, আপনারা দয়া করে এই দুইমাস জাটকা ধরা থেকে বিরত থাকুন। এই সময় বরফ কলগুলো বন্ধ থাকবে এবং অবৈধভাবে ইলিশ বিক্রি হওয়া বাজারগুলো মনিটরিং করা হবে। ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের বিরুদ্ধেই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে ইলিশের প্রজনন নিশ্চিত করা যায়। ২৪ ঘণ্টা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে।’
চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. গোলাম মেহেদী হাসান এর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব পিপিএম, নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ মোশফিকুর রহমান, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষনা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ আমিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাখাওয়াত জামিল সৈকত কোস্ট গার্ড স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মোঃ ফজলুল হক প্রমুখ।
জেলেদেরকে সচেতন করার লক্ষে সভা শেষে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে মেঘনা মোহনা থেকে একটি নৌ র্যালী বের হয়। র্যালীতে জেলা টাস্কফোর্সের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী