প্রকাশের সময়: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫ । ৩:৪২ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

নারী দিবসে রোটারিয়ান আলেয়া বেগম লাকীকে চর্যাপদ একাডেমির সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিনিধি

বিশিষ্ট আইনজীবী রোটারিয়ান আলেয়া বেগম লাকীকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে প্রগতিশীল প্রতিষ্ঠান চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি।

শনিবার ৮ মার্চ দুপুর ২টায় নারী দিবস উপলক্ষ্যে তার বাসভবনে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

চর্যাপদ একাডেমির সভাপতি আয়েশা আক্তার রুপার সভাপতিত্বে, মহাপরিচালক অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণির সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক ফুটবলার ও চাঁদপুর উদয়ন কঁচিকাচার মেলার সাবেক আহ্বায়ক মিজানুর রহমান স্বপন, নারী উদ্যোক্তা আয়েশা মুন্নি, একাডেমির পর্যবেক্ষক ও ন্যায়পাল দিলীপ ঘোষ, সহকারী পরিচালক ফেরারী প্রিন্স, আর্কাইভ ও নথি ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল-আমিন সানি।

এ সময় আলেয়া বেগম লাকীর বর্ণাঢ্য জীবনের ওপর আলোকপাত করা হয় এবং তাঁর মুখ থেকে শোনা হয় সফলতার পেছনে লুকিয়ে থাকা সুখ-দুঃখের গল্প।

অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে আলেয়া বেগম লাকী বলেন, ‘চর্যাপদ একাডেমি আজ যে সম্মানটুকু আমাকে দিয়েছে, আমি এতে গৌরব বোধ করছি। এই একাডেমির কার্যক্রম সম্পর্কে আমি অনেকদিন যাবৎ অবগত। দূর থেকে এই সংগঠনের কাজ দেখে ভালো লাগতো। কিন্তু আজ আমাকে যে সফল নারী সংবর্ধনার জন্য বাছাই করবে এটা ধারণাও করতে পারিনি।

এসময় জীবন চলার পথে অনেক সুখ-দুঃখের গল্প তুলে ধরতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। এক পর্যায়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।

চর্যাপদ একাডেমির সভাপতি আয়েশা আক্তার রুপা বলেন, নারী দিবসে একজন সফল নারীকে সংবর্ধনা প্রদান করার মধ্য দিয়ে আমরা নিজেরাই সম্মানিত হই। তাঁর মুখ থেকে সফলতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা সুখ-দুঃখের গল্প শুনে আমরা ঋদ্ধি হই।

চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক রফিকুজ্জামান রণি বলেন, একাডেমির পক্ষ থেকে প্রতি বছর নারী দিবসে একজন সফল নারীর বাসভবনে আমাদের চর্যাপদ টিম ছুটে গিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করে থাকে। এটা আমাদের অনেকদিনের রেওয়াজ। ২০২১ সাল থেকে এ সংবর্ধনা প্রদান করে আসছি আমরা। এর আগে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী, সংগীতশিল্পী ইতু চক্রবর্তী এবং জেলা উদীচীর সভাপতি কৃষ্ণা সাহাকে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

অ্যাডভোকেট আলেয়া বেগম লাকীর জন্ম ১৯৭২ সালে, চাঁদপুর শহরের কোড়ালিয়ায়। তিনি বাংলাদেশ মানবাধিকার ও সমাজ উন্নয়ন সংস্থার পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন, সেই সঙ্গে ইয়ূথ ফোরাম বাংলাদেশের কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্বও পালন করছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পিএলডিএস-এর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

যুক্ত আছেন রোটারি ক্লাব ও রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সঙ্গেও। সাংগঠনিক কার্যক্রম ও শিল্পসাহিত্য চর্চার সুবাধে অনেক দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তিনি।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন