কচুয়ায় বিষপানে শিশুর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের সোহেল ও আছমা আক্তার দম্পত্তির ৪ বছরের শিশু ছেলে ইসমাইলকে বিষপানে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ এনে আছমা আক্তার রোকেয়া বাদী হয়ে চাঁদপুরর বিচারিক কচুয়া আমলী আদলতে ২৪ মার্চ মামলা দায়ের করেন।
মামলায় পাশ্ববর্তী বাড়ির আ: লতিফের দুই ছেলে শাহ আলম, বজলু ও তাদের স্ত্রী হালিমা ও ফাতেমা বেগমসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে বিবাদী করা হয়।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,১৬ ফেব্রুয়ারি রবিবার বিকেল বেলায় পূর্বের জমিজমা বিরোধ নিয়ে পরিকল্পিতভাবে শিশু ইসমাইলকে পাশ্ববর্তী বাড়ির শাহআলম ও তার স্ত্রী হালিমা বেগম তাদের ঘরে ডেকে নিয়ে টাইগার কোমল পনীয়র বোতলে রক্ষিত বিষ করায়। আমি ইসমাইলকে না পাইয়া ওই বাড়িতে গিয়ে দেখতে পাই তাদের বসত ঘরে অচেতন অবস্থায় শুয়ে আছে তার মুখ দিয়ে লালা বের হয় এবং মুখে বিষের গন্ধ পাই। জরুরী ভাবে তাকে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ১৭ তারিখ সোমবার ইসমাইল ওই হাসাপাতালে মারা যায়।
শিশু ইসমাইলের মা আছমা আক্তার রোকেয়া বলেন,সম্পত্তিগত বিরোধের জের ধরে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে পাশের বাড়ির বজলু ও শাহআলমগংরা একই গ্রামের সর্দার বাড়ির কালু মিয়ার ছেলে তাজুল ইসলামের নিকট থেকে ড্রিংকস টাইগারের বোতল করে বিষ এনে আমার ছেলেকে খাওয়াইয়া পরিকল্পিকভাবে হত্যা করেছে।
তিনি আরো বলেন,ঘটনার সময় শাহআলমের জমজ দুই সন্তান ও আমার শিশু ছেলে ইসমাইল তাদের সাথে তাদের ঘরে ছিল,কিন্তু শুধু আমার ছেলে টাইগারের বোতলে থাকা বিষপান করেছে অথচ তাদের সন্তান কেই টাইগার খায়নি। আমি মনে করি আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে বিষ পানে হত্যা করেছে ,এ হত্যাকান্ডের সুষ্ঠ বিচার দাবী করছি।
তাজুল ইসলামের কাছ থেকে টাইগারের বোতলে বিষ নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, শিশু ইসমাইল বিষপানের ৩ দিন পূর্বে আমি আমার ধান খেতে এন্ড্রিন (বিষ) দেওয়ার জন্য এনেছিলাম ,আমার কাছ থেকে জমিতে ঔষধ দিবে বজলুগংরা টাইগারের বোতলে সামন্য পরিমান বিষ নিয়েছে।
এদিকে ঘটনার বিষয়ে শাহ আলমের স্ত্রী হালিমা বেগম জানান,ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলামনা।

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া