প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫ । ১২:০৩ এম প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় পরকীয়ার জেরে ব্যবসায়ীকে ডেকে নিয়ে কু’পি’য়ে হ ত্যা

মো. রাছেল, নিজস্ব প্রতিনিধি

চাঁদপুরের কচুয়ায় নুরুল হক (৪৫) নামে এক কাপড় ব্যবসায়ীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার রাতে উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের উত্তর বিতারা গ্রামের প্রতিবন্ধী জাহাঙ্গীর খলিফার বাড়িতে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।

নিহত নুরুল হক বিতারা গ্রামের খলিফা বাড়ির মৃত সুলতান আহমেদের ছেলে। এ ঘটনায় হত্যার কাণ্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে ৩জনকে আটক করেছে কচুয়া থানার পুলিশ। আটককৃতরা হলেন- বিতারা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে গ্রাম পুলিশ জালাল উদ্দিন, সৈকত আলীর ছেলে আমান উল্লাহ্ ও মুসলিমের ছেলে রফিকুল ইসলাম।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুকুর আলী প্রবাসে থাকার সুযোগে নিহত নুরুল হক শুকুর আলীর স্ত্রী ফাতেমা আক্তারের সাথে পরকীয়া জড়িয়ে পড়েন। প্রবাস থেকে শুকুর আলী দেশে এসে তার স্ত্রী পরকীয়া সম্পর্ক জানতে পেরে তার স্ত্রীকে ডিভোর্স দেয়। তারপর থেকে নুরুল হকের সাথে তার বিরোধ চলে আসছে। বিরোধের জের ধরেই নুরুল হককে খুন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহতের স্ত্রী জাহানারা বেগম জানান, শনিবার রাতে শুকুর আলী, জালাল, জাহাঙ্গীর সহ তিনজন মিলে নুরুল হককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে জাহাঙ্গীর খলিফার নতুন বাড়িতে নিয়ে যায়। রাতে আমার স্বামী (নুরুল হক) ঘরে ফিরতে দেরি করায় জাহাঙ্গীর খলিফার নতুন বাড়িতে খোঁজ নিতে গিয়ে দেখি আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। আমার স্বামীর হত্যা কাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

নিহতর ভাই আল-আমিন ও মহসিন জানান, আমার ভাই নুরুল হক একজন কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন। শুকুর আলী, জাহাঙ্গীর আলম, জালাল সহ একদল সন্ত্রাসী বাহিনী আমার ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকান্ড জড়িত সন্দেহভাজন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩জনকে আটক করা হয়েছে। নুরুল হকের স্ত্রী জাহানারা বেগম তার স্বামীর হত্যা মামলার বাদী হন।

তিনি আরো বলেন, আটককৃত তিন সন্দেহভাজনের মধ্যে নুরুল হকের স্ত্রী স্বাক্ষী মতে জালাল উদ্দিনকে আসামী করে বাকি ২জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে পরকীয়ার জের ধরে এই হত্যা কাণ্ডটি ঘটে। মূল আসামি শুক্কুর আলী সহ আরো যারা হত্যা কাণ্ডের সাথে জড়িত তাদেরকে গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন