প্রকাশের সময়: সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫ । ৬:৩০ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় সড়কের পাশে ময়লার স্তুপ, দুর্ভোগ চরমে

মো. রাছেল, নিজস্ব প্রতিনিধি

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ-কচুয়া-গৌরিপুর আঞ্চলিক সড়কের পূর্ব পাশে কচুয়া বিশ্¦রোড ৩নং ওয়ার্ড পলাশপুরে দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার ময়লা-আবর্জনার স্তূপ।

ময়লার দুর্গন্ধ বাতাসে ছড়িয়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের যাত্রীরা ময়লার উৎকট গন্ধে নাক চেপে যেতে হচ্ছে। নাগরিক সমাজের গণদাবি পৌর প্রশাসক এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নিবেন।

পৌরসভায় ০৬জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী রয়েছেন। কচুয়া পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য কোনো নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশন নেই। প্রতিদিন সকাল বিকাল পিকআপ ভর্তি ময়লা আবর্জনা সড়কের পাশে স্তুপ করা হয়।

আবর্জনার স্তুপে আগুন দিয়ে পোড়ানোর সময় ধোঁয়ার উৎকট গন্ধে পরিবেশ দূষন হয়। বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্ট, বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, দোকানপাট সহ বিভিন্ন বসতবাড়ির ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। ময়লা ও আর্বজনা দূর্গন্ধ ছড়ার ফলে পরিবেশ দূষনে বসবাসরত লোকজন দিন দিন অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

ময়লা আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ডাম্পিং না করায় দুর্গন্ধে নাজেহাল নাগরিক সমাজ। আবর্জনার উৎকট দুর্গন্ধ সহ্য করতে পারছে না অনেকে। ময়লার এমন গন্ধ আর পরিত্যক্ত বর্জ্য অপসারণে কোনো ভূমিকা নেই পৌর কর্তৃপক্ষের।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. জাহিদ হোসাইন বলেন, ময়লার দুর্গন্ধ থেকে বাতাসের মাধ্যমে শ্বসনালীর বিভিন্ন ধরনের প্রদাহ হয়ে থাকে। র্বজ্য পদার্থ থেকে অনেক জটিল রোগ হতে পারে। বর্জ্য যদি সঠিকভাবে নিস্কাশন না হয় তাহলে পানির মাধ্যমে দূষিত হয়ে যেমন- কলেরা, ডায়রিয়া, টাইফয়েড সহ নানান ধরনের জটিল রোগ হতে পরো।

কচুয়া পৌর সচিব মো. ফখরুল ইসলাম জানান, পৌরসভার ময়লা আবর্জনা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট কোন ডাম্পিং স্টেশন নেই। ডাম্পিংয়ের জন্য জায়গা কেনার জন্য আমরা অতিদ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। সড়কের পাশে ময়লা আর্বজনা ফেলার ব্যাপারে আমি অবগত নেই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী বলেন, সড়কের পাশে ময়লা ফেলার কারণে মানুষের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পৌরসভার ময়লা যত্রতত্র রাস্তার পাশে ফেলার কোনো সুযোগ নেই। পৌর প্রশাসককে নিয়ে শিগগির ময়লা অপসারণ ও ভবিষ্যতে আর যেন না ফেলে সে ব্যাপারে কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, চাঁদপুরের ডিসি স্যারের নির্দেশনায় আমরা উদ্যোগ নিয়েছি এবং ইতিমধ্যে কয়েটি জায়গা দেখেও ফেলেছি। অতি শীগ্রই ডাম্পিং স্টেশন করতে পারবো তাহলে এই সমস্যাটি সমাধান হয়ে যাবো।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন