শাহরাস্তিতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর বাল্যবিয়ে ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পৌর শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম নিজমেহের মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসন জানায়, ওই রাতে শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিগার সুলতানার নিকট অপাপ্তবয়স্ক একটি বিয়ে হওয়ার অভিযোগ আসে। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে শাহরাস্তি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিরুপম মজুমদার ঘটনার স্থলে অভিযান চালান।
ওই সময় আগত বর ও কনের বিবাহের স্বপক্ষে কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে অপ্রাপ্তবয়স্ক প্রমাণিত হয়।
পরে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিরুপম মজুমদার অভিযুক্ত কনের পিতাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে বর ও কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ না দেওয়ার বিষয়ে দুই পরিবারের অঙ্গীকারনামা মুচলেকা আদায় করেন।
ওই সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে বিবাহ কান্ডে জড়িত কাজী ও ঘটক কেটে পড়েন।
এ প্রসঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিরুপম মজুমদার বলেন, বাংলাদেশের বৈবাহিক আইন অনুসারে একজন প্রাপ্তবয়স্ক বরের বয়স ২১, কনের বয়স ১৮ হওয়া অত্যাবশ্যক। ওই রাতে ঘটনাটি দেশের বিবাহ নিরোধ আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। তবে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে অকাল বিয়ে থেকে রক্ষা পেলো ওই কিশোরী।
তিনি আরো বলেন, “বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি। ছেলেমেয়েরা যথার্থ শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জন করে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠুক, এটাই রাষ্ট্রের প্রত্যাশা। দেশের প্রচলিত আইন অমান্য করে কেউ বাল্যবিয়ের আয়োজন করলে সবাইকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

মোঃ মাসুদ রানা