প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫ । ১১:৪৮ এম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জের পদুয়ায় মাদকের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোয় তিন যুবক রক্তাক্ত!

নিজস্ব প্রতিনিধি

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলা ৮নং হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের পদুয়া এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা ও সেবনে বাঁধা দেওয়ায় ৩ যুবককে কুপিয়ে জখম করছে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা ।

১৯ জুন (বৃহস্পতিবার) রাত আনুমানিক ৮ টার সময় ইউনিয়নের পদুয়া দিঘীরপাড়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। এদের মধ্যে রুহুল আমিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আহতরা হলেন পদুয়া মুন্সী বাড়ি আমির হোসেনের ছেলে রুহুল আমিন,বিল্লাল হোসেন মিয়াজীর ছেলে মিলন মিয়াজী,সরোয়ার আলমের ছেলে জুনায়েদ হোসেন।

এ বিষয়ে রুহুল আমিনের বাবা আমির হোসেন বাদী হয়ে হাজীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- বেলঘর গ্রামের কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আমির হোসেনের ছেলে মিলন, খোরশেদ আলমের ছেলে রবিউল, আব্দুর রশিদের ছেলে কামরুল হাসান, আবু মিয়ার ছেলে রিফাত হোসেন, আবুল বাসারের ছেলে কাউসার আলম, আতাবর হোসেনের ছেলে রবিউল আলম দীর্ঘ দিন ধরে পদুয়া এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা ও সেবন করে আসছে। এতে ঐ এলাকার যুবসমাজ মাদকের প্রতি আশক্ত হয়ে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। তাদের অসামাজিক কাজে পদুয়া সমাজকল্যাণ সংগঠনের সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক রুহুল, সহকারী ক্যাশিয়ার মিলন হোসেন, সদস্য জুনায়েদ হোসেন তাদের সতর্ক করলে উল্টো তারা প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে।

অভিযোগে আরও জানা যায়- কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা কাউকে পরোয়া না করে পূর্বের ন্যায় ঘটনারদিন প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবন করে আসছে। এতে রুহুল আমিন, জুনায়েদ, মিলন বাধা দিলে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন তাদেরকে। এতে গুরুতর আহত হয়ে পড়েন রুহুল আমিন, জুনায়েদ, মিলন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ডাক্তার তাদের ভর্তি দেন।

স্থানীয়রা জানান- বেলঘর গ্রামের কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা আমাদের গ্রামে এসে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবন করে এলাকার যুব সমাজকে ধ্বংস করে ফেলছে। তাদের ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারি না। তারা মেরে ফেলার হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। এদের দ্রুত গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তি প্রদানের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এলাকাবাসী।

এ ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত রবিউল, কামরুল, রিফাত ও কাউসারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কারও সাথেই কথা বলা সম্ভব হয়নি, কারণ তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, ‘হামলার ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়া ওই এলাকায় মাদকের বিষয়েও অভিযান পরিচালনা করা হবে।’

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন