প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫ । ২:৪৩ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহমাহমুদপুরে সিঁধ কেটে বসত ঘরে ঢুকে নারীকে কুপিয়ে জখম

মাসুদ হোসেন
চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে ভোর রাতে সিঁধ কেটে বসতঘরে ঢুকে কাজল চক্রবর্তী (৪৬) নামে এক হিন্দু নারীকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ভোর রাত ৪টার দিকে ইউনিয়নের ভাটেরগাঁও ছোট পন্ডিত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ভাটেরগাঁও ছোট পন্ডিত বাড়ির মৃত কৃষ্ণপদ চক্রবর্তীর স্ত্রী দুই ছেলেকে নিয়ে বসবাস করে আসছেন। ঘটনার দিন রাতে বসত ঘরের সামনের রুমে দুই ছেলে ও অন্য রুমে কাজল চক্রবর্তী প্রতিদিনের ন্যায় ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোর ৪টার দিকে কে বা কাহারা সিঁধ কেটে ঘরের ভিতর ঢুকে ঘুমের মধ্যে কাজল চক্রবর্তীর ঘাড়ে ও বাম হাতে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেছে।
তার চিৎকারে ছেলেরা ছুটে আসতে আসতে অজ্ঞাত ব্যক্তি খাটের নিচ দিয়ে চলে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেপার করেন। তিনি বর্তমানে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
ভিকটিম কাজল চক্রবর্তীর ছোট ছেলে প্রদীপ চক্রবর্তী জানান, আমরা দুই ভাই এক রুমে আরও মা অন্যরুমে ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোর ৪টার দিকে মায়ের চিৎকারের শব্দ শুনে দ্রুতে ছুটে যাই। গিয়ে কাউকেই দেখতে পাইনি তবে আমার মা ঘাড়ে হাত দিয়ে আছেন। হাত সরিয়ে দেখি প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তখন মাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি অন্ধকারে কাউকে চিনতে পারেন নি বলে জানান।
পরে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার ঢাকায় পাঠিয়ে দেন। তবে ঘরে থাকা কোন কিছুই খোয়া যায়নি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের কারো সাথেই কোন দ্বদ্ধ বা শত্রুতা ছিল না। কে বা কারা এ ঘটনাটি ঘটিয়াছে প্রশাসনের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বের করার জোড় দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান স্থানীয় ইউপি মেম্বার সোহেল পাটওয়ারী সোহাগ। তিনি বলেন, আহত কাজল রানীর পরিবারটি খুবই অসহায়। তার উপর কে বা কাহারা এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীকে বের করতে হবে। তবে উক্ত ঘটনায় এলাকায় দেখা দিয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য।
পরে একইদিন দুপুরে উক্ত ঘটনাস্থলে গিয়েছেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ লুৎফর রহমান, চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বাহার মিয়া, শাহমাহমুদপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক কামাল মিজি সহ থানা পুলিশ ও বিভিন্ন সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন