প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৫ জুলাই, ২০২৫ । ৭:৪৫ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

থানায় ঢুকে পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টাকারীর মরদেহ মিলল পুকুরে

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক

গাইবান্ধার সাঘাটা থানায় ঢুকে পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ও থানার এএসআই মহসিন আলীকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়া যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকালে থানার পাশে সাঘাটা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়,মরদেহ উদ্ধার হওয়া যুবকের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী ওই যুবক শার্ট ও প্যান্ট পরিহিত ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে তিনি থানায় অভিযোগ লেখাতে এসে কথা- কাটাকাটির এক পর্যায়ে পুলিশের এক কনস্টেবলের বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তখন দায়িত্বরত কনস্টেবল চিৎকার দিলে পাশে কক্ষে থাকা এএসআই মহসিন আলীসহ কয়েকজন এসে বন্দুক উদ্ধার করেন এবং যুবককে আটকের চেষ্টা করেন। তখন ওই যুবক ছুরি দিয়ে এএসআই মহসিনকে আঘাত করে পালিয়ে যান।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় কয়েকজন বলেন, ওই যুবক পালানোর সময় পুলিশ ও এলাকাবাসী তার পিছু নেন। একপর্যায়ে থানার পাশে সাঘাটা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের পুকুরে যুবককে দেখা যায়। এ সময় পুলিশ ধরার চেষ্টা করলে ওই যুবক পুকুরে কচুরিপানার ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে থাকেন। তখন পুলিশ সদস্য ও এলাকাবাসী পুকুরপাড়ে অবস্থান নেন। রাত গভীর হলে পুলিশ পাহারায় থাকলেও এলাকার লোকজন নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান। আজ সকালে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ওই যুবকের মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেন। পরে মরদেহ থানায় আনা হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আবদুল্লাহ মণ্ডল বলেন, গতকাল রাত ১০টার দিকে থানায় হইচই শুনে তিনি এগিয়ে যান। গিয়ে দেখেন অপরিচিত এক যুবক দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। পেছনে পুলিশ ও কিছু লোক ধাওয়া করেছেন। একপর্যায়ে থানার পাশে বিদ্যালয়ের পুকুরে যুবককে দেখা যায়। সেখান থেকে যুবককে ধরার চেষ্টা করে পুলিশ। এ সময় যুবক পুকুরের ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে পড়েন। গভীর রাত পর্যন্ত তাকে দেখতে না পেয়ে সবাই নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান। তবে পানিতে ডুবে নাকি অন্য কারণে মারা গেছেন, পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া না পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ জানা যাবে না। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যুবকের পরিচয় নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে।

ওসি বাদশা আলম আরও বলেন, আহত এএসআই মহসিন মিয়ার হাতে ও কপালে জখম হয়েছে। তাকে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে ব্রিফ করা হবে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন