বাংলাদেশ খেলাফত মসলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান হাজারো শহীদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে এই অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে ৯ মাসের মুক্তির সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলো।
কিন্ত দুর্ভাগ্য কিছু দিনের মধ্যে পার্শ্ববর্তী এক আধিপত্য রাষ্ট্র বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ছিনতাই করে নিয়েছে। বাংলাদেশ ধর্ম নিরপক্ষেতা আমদানী করে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাসকে কলকিংত করেছে। বাংলাদেশকে ভারত মাতার চরণ তলে বলি দেওয়া হয়েছে। চব্বিশের মহান বিপ্লবকে কাউকে ছিনতাই করতে দেওয়া হবে না।
স্বাধীনতা এনেছি রক্ত দিয়ে প্রয়োজনে আবার স্বাধীনতা রক্ষা করবো। জুলাই বিপ্লবের সকল অংশীজন সকল ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী ফ্যাসীবাদ মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক বন্দোবস্ত করতে হবে। লেডি ফেরাউন নামে খ্যাত শেখ হাছিনা তার জুলুম এবং নির্যাতনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষকে নিষ্পেষিত করেছেন। এই দেশের হিন্দুরা তাদের বাড়িতে মন্দিরে মুর্তি পূজা করবে সেটা তাদের ধর্মীয় ব্যাপার।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সারা বাংলাদেশে ৩০০ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহন করার জন্য প্রার্থী বাঁচাই করা হয়েছে। খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে কচুয়া আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে আপনাদের পরিচিত মুখ মুফতি আনিসুর রহমান কাসেমীকে আপনাদের হাতে তুলে দিলাম, সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাকে বিজয় করে সংসদের পাঠাবেন। আগামী কচুয়ার সংসদের নেতা হবে মুফতি আনিসুর রহমান কাসেমী, ইনশাল্লাহ সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠার কাজ করবেন। তিনি গতকাল শনিবার বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে খেলাফত মজলিস কচুয়া উপজেলা শাখার আয়োজনে বিশাল সমাবেশে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
উপজেলা আমির মুফতি নুরুল ইসলাম মাদানীর সভাপতিত্বে ও পৌর আমির মাওলানা নেয়ামত উল্লাহ’র সঞ্চলনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, যুগ্ম-মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মুসা ও মাওলানা ফয়সাল আহম্মেদ, চাঁদপুর জেলার সভাপতি মাওলানা লেয়াকত হোসেন, কচুয়া আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি মাওলানা আনিছুর রহমান কাসেমী, যাত্রবাড়ী থানা শাখার সভাপতি মাওলানা এরশাদুল হক, দাউদকান্দি তিতাস থানা শাখার সভাপতি আবু ইউসুফ প্রমুখ।

মোঃ রাছেল, কচুয়া