রংপুরের তারাগঞ্জে চোর সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই এসআই ও ছয় কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রংপুর পুলিশ সুপারের নির্দেশে বুধবার (১৩ আগস্ট) তাদের বরখাস্ত করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবু জোবায়েরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে তারাগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলামকে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বরখাস্তকৃতরা হলেন—এসআই আবু জোবায়ের, এসআই সফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল ফারিকুদ আখতার জামান, ধিরাজ কুমার রায়, হাসান আলী, ফিরোজ কবির, মোক্তার হোসেন ও বাবুল চন্দ্র রায়।
ঘটনাটি ঘটে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারাগঞ্জ-কাজীরহাট সড়কের বটতলা এলাকায়। স্থানীয় জনতা চোর সন্দেহে রূপলাল দাস ও তার জামাই প্রদীপ দাসকে আটক করে পিটিয়ে হত্যা করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিয়ের বিষয়ে আলাপ করতে মিঠাপুকুর থেকে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন প্রদীপ দাস। পথ হারিয়ে কাজীরহাট এলাকায় এসে শ্বশুর রূপলালকে ফোন করেন তিনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত রূপলালের স্ত্রী ভারতী রানী বাদী হয়ে তারাগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাত ৫০০-৭০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় ইতিমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

অনলাইন ডেস্ক