শাহরাস্তি উপজেলার চিতোষী পশ্চিম ইউপির পাথৈর গ্রামে বসবাসরত দিনমজুর মাইনুদ্দিন।
জীবনের তাগিদে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করেও তিনি অসহায় হয়ে পড়েছেন পাঁচ বছরের শিশু কন্যা নুসাইবা ইসলামের চিকিৎসা ব্যয়ের সামনে। জন্ম থেকেই নুসাইবার হৃদপিণ্ডে ছিদ্র রয়েছে। এখন তার জীবন বাঁচাতে জরুরি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অধ্যাপক ও শাহরাস্তিরকৃতি সন্তান ডা. মো. কামরুল হাসান (মিলন) এর ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী, নুসাইবার “সার্জিক্যাল ক্লোজার অফ এএসডি আন্ডার সিপিবি” প্রয়োজন। এর আগে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করাতে হবে।
গত ১৫ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে করা ইকোকার্ডিওগ্রাফি রিপোর্টে দেখা যায়, তার “লার্জ অস্টিয়াম সেকেন্ডামএএসডি” রয়েছে। যদিও রিপোর্টে “মাইল্ড পিএএইচ” এবং “বাইভেন্ট্রিকুলার ফাংশন ভাল” বলে উল্লেখ আছে, তবুও চিকিৎসকদের মতে শিশুটির অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
নুসাইবার বাবা মাইনুদ্দিন ইতোমধ্যেই সর্বস্ব ব্যয় করেছেন মেয়ের চিকিৎসায়। কিন্তু ব্যয়বহুল অস্ত্রোপাচারের খরচ জোগাড় করার সামর্থ্য তার নেই। তাই তিনি সমাজের বিত্তবান, দানশীল ও হৃদয়বান মানুষের কাছে প্রাণভরে আবেদন জানিয়েছেন।
চোখে জল আর কণ্ঠে বিষণ্ণতা নিয়ে তিনি বলেন “আমার মেয়েটার জীবন ঝুঁকির মধ্যে। আপনাদের সবার কাছে আমার বিনীত নিবেদন, দয়া করে আমার মেয়েটাকে বাঁচান।”নুসাইবার নিষ্পাপ হাসি ও কৌতূহলী দৃষ্টি হয়তো বোঝে না তার জীবনের ভয়াবহ অনিশ্চয়তা। কিন্তু প্রতিটি দিন তার বাবাকে আরো দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করে তুলছে।
এ অবস্থায় শিশুটির জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা একান্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। সাহায্যের জন্য যোগাযোগ অসহায় বাবা মাইনুদ্দিন বিকাশ নম্বর: ০১৯১৩-৮২৭০৬৪।

মোঃ মাসুদ রানা