প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ । ৫:২৮ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে অসহায় পরিবারকে মারধর ও লুটের মামলায় ইউপি সদস্য কারাগারে

মনিরুল ইসলাম মনির
মতলব উত্তর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের গোপালকান্দি গ্রামে সম্পত্তিগত বিরোধের জের ধরে অসহায় পরিবারকে মারধর ও লুটের মামলায় সাবেক ইউপি সদস্য মনির হোসেনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) তাকে গ্রেফতার করে চাঁদপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।
গত ১০ সেপ্টেম্বর এ ঘটনার পর ওই গ্রামের আঃ হালিম বেপারীর ছেলে হাবুল বেপারী বাদী হয়ে একই গ্রামের আরিফ বেপরী, মনির হোসেন, টিপু বেপারী, সোহাগ বেপারী, জজ মিয়া, হাসান বেপারী, রাশিদা বেগম ও রত্না বেগম সহ আরো অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামী করে মতলব উত্তর থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, বিবাদীদের সাথে জায়গা সম্পত্তি সংক্রান্তে বিরোধের জের ধরে প্রায় সময় বাদীকে বিভিন্ন সময় হুমকী ধামকী প্রদান করে আসছে। উক্ত বিষয়ে এলাকায় একাধিকবার স্থানীয় শালিশ বৈঠক হয়।
তারপরও বিবাদীরা এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সিদ্ধান্ত অমান্য করে হুমকী ধামকী দিতে থাকে। বাদীর বাড়িতে বাউন্ডারি কাজ চলাকালে বিবাদীরা বাউন্ডারী কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য হুমকী ধামকী প্রদান করিতে থাকে।
গত বুধবার দুপুরে বাউন্ডারী কাজের লেবারসহ বাদী লেবার খরচ ও বাউন্ডারী কাজের মালামালের মূল্য পরিশোধের জন্য ২ লাখ টাকা নিয়ে বসতবাড়ীতে আসা মাত্রই বিবাদীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বেআইনী জনতাবদ্ধে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র, দা, লাঠি, ছোরা, ছেনী নিয়ে সজ্জিত হয়ে অনধিকারে বাদীর বসতবাড়ীতে প্রবেশ করে আমাদেরকে অকথ্য ও অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করতে থাকে।
বিবাদীদের গালমন্দ করতে নিষেধ করলে বিবাদীরা উত্তেজিত হয়ে বাদীকে এলোপাথারি কিল, ঘুষি, লাথি মেরে আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে।
বাদী হাবুল বেপারী বলেন, ওই ঘটনায় আরিফ বেপারী তার হাতে থাকা এসএস পাইপ দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মাথায় বারি মেরে ফাঁটা রক্তাক্ত জখম করে। জখমী স্থানে ৮টি সেলাই লাগে। টিপু বেপারী আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চেপে শ্বাসরোধের চেষ্টা করে।
অন্যান্য বিবাদীরা আমার সাথে থাকা নগদ ২ লাখ টাকা জোর পূর্বক লুট করে নিয়ে যায়। আমার ডাক-চিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে তাদেরকেও এলোপাথারি মারধর করে শরীরের বিভিন্নস্থানে নীলা ফুলা, থেতলানো, রক্ত জমাট জখম করে। উক্ত বিষয়ে কোন মামলা মোকদ্দমা করলেও আমাদেরকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলবে বলেও হুমিক দেয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাফর বলেন, এই মামলার আসামী মনির হোসেনকে গ্রেফতার করে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যান্য আসামীদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন