প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ । ৪:৩২ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

আজ মহা ষষ্ঠী পূজার মধ্যে দিয়ে কচুয়ায় ৩৮টি পূজামন্ডপে দুর্গাপূজা শুরু

মোঃ রাছেল, কচুয়া

সনাতন বাঙালি ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে এ বছর কচুয়ায় ৩৮টি পূজামন্ডপের দেবী মায়ের ভক্তদের মাঝে অন্যান্য বছরের ন্যায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গত রোববার মহালয়ের মধ্যে দেবীদুর্গা পা রাখেন মর্ত্যলোকে।

শারদীয় দুর্গোৎসবের সূচনা হচ্ছে আজ রবিবার দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে। এই বোধনের মধ্য দিয়েই দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। বাংলার ঘরে ঘরে এখন উৎসবের আমেজ। মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে সাজসজ্জার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতিমা সাজানো, আলোকসজ্জা, ধূপ-ধুনো, ঢাক-ঢোল সব মিলিয়ে যেন এক ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলা। বোধন শব্দের অর্থ জাগরণ বা চৈতন্যপ্রাপ্ত। শরৎকালের দুর্গাপূজায় এ বোধন করার বিধান রয়েছে।

বিভিন্ন পুরাণ অনুসারে ভগবান রামচন্দ্র শরৎকালে রাক্ষসরাজ রাবণকে বধের উদ্দেশ্যে দুর্গাপূজা করেন। তিনি অকালে এ বোধন করেন বলেই এটি অকালবোধন নামে খ্যাত। তবে বসন্তকালে চৈত্র মাসে যে দুর্গাপূজা বা বাসন্তীপূজা অনুষ্ঠিত হয়, তাতে বোধনের প্রয়োজন হয় না। দুর্গা দেবীর ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠী বিহিত পূজা। পাঁচ দিনের এ উৎসব শেষ হবে আগামী ২ অক্টোবর বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে। এবার দেবী দুর্গার আগমন হবে গজে অর্থাৎ হাতির পিঠে চড়ে। আর দশমীতে দেবী মর্ত্যলোক ছাড়বেন দোলা বা পালকিতে চড়ে।

জানা যায়, উপজেলায় এবার পৌরসভার ও ১২টি ইউনিয়নে ৩৮টি পূজামন্ডপে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই ৩৮টি পূজামন্ডপের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন পূজামন্ডপ হচ্ছে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন কোয়া পোদ্দার বাড়ির সর্বজনীন দূর্গামণ্ডপ। এই বছর এ মন্ডপে ১৪৫তম শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করতে যাচ্ছে।

প্রতিমা শিল্পী কালু গোস্বামীর সাথে কথা বলে জানা যায়, শেষ মুহূর্তে এসে তারাহুড়া করে কাজ করে রঙের ছোঁয়ায় প্রতিমাকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। দেবীকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে পারলেই কাজ করে নিজের মধ্যে প্রশান্তি আসে।

কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী জানান, প্রতিটি পূজামন্ডপে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সকল পূজামন্ডপে পুলিশ, আনসার নিয়োগের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর টহল থাকবে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ পূজামন্ডপে বিশেষ নজরে রাখা হবে।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, উপজেলার ৩৮টি পূজামন্ডপে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে উদযাপন করতে যেকোন অপতৎপরতা রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ প্রশাসন সকলের সহযোগিতায় একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর সর্বজনীন উৎসব করতে আমাদের সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন