প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫ । ৭:০৬ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

বিসর্জনের মধ্য দিয়ে কচুয়া শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন

মোঃ রাছেল, কচুয়া

অশ্রুশক্তি নয়নে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার শেষ হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। সকাল ৯টা ৫৭ মিনিট থেকে দশমী বিহিত পূজার লগ্ন শুরু হয়। পূজা শেষে দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজার ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।

বৃহস্পতিবার উপজেলার ৩৮টি মন্দিরের প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়। চণ্ডীপাঠ, বোধন এবং দেবীর অধিবাসের মধ্যদিয়ে শনিবার থেকে শুরু হয় হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এবার দেবী দুর্গা মর্ত্যে এসেছেন গজে চড়ে, আর মর্ত্যলোক ছেড়ে যাবেন দোলায় হয়ে। এর মধ্যদিয়ে দেবী মর্ত্য ছেড়ে স্বর্গে ফিরেন।

অষ্টমী ও নবমীতে উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন, সাবেক শিক্ষাপ্রতি মন্ত্রী আনম এহসানুল হক মিলন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রকিব ও চাঁদপুরের সেনাবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মো. মোয়াজ্জেম হোসেন পিএসসি।

উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ আবু নাছির, সহকারি পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল) আব্দুল হাই চৌধুরী, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম, উপজেলার বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র হুমায়ন কবির প্রধান, চাঁদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিনয় ভূষণ মজুমদার, উপজেলা বিএনপির সমন্বয়ক শাহজালাল প্রধান জালাল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও হিন্দু সম্প্রদায় ও ৩৮টি পূজা মন্ডপের নেতৃবৃন্দের সাথে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

পঞ্জিকা মতে, মহিষাসুরের সঙ্গে ৯ দিন ৯ রাত যুদ্ধের পর দশম দিনে জয়ী হন দেবী দুর্গা। এজন্যই বিজয়া। বিজয়া দশমীর কথাটি শুনলেই মন বিষাদগ্রস্থ হয়ে পড়ে। কিন্তু এ কথাটাও আমাদের ভুললেই চলবে না যে, এই দিনে মা বিজয়ী হয়েছিলেন, এই মা সফল হয়ে ছিলেন। তবুও এই দিনে মা আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন এ কথা মনে পড়লেই মন অশান্ত হয়ে উঠে।

বিজয়া দশমীর তিথিতে মা সকল অশুভ শক্তির বিনাশ করেন এবং সারা বছরের জন্য আমাদের আনন্দে ভরিয়ে রেখে যান। সেই লোকাচার বাংলার ঘরে ঘরে সিঁদুর খেলা হিসেবে পরিণত হয়েছে। সিঁদুর খেলার পাশাপাশি চলে কোলাকুলিও।

সুষ্ঠু, সুশৃংখলভাবে শারদীয় দুর্গা উৎসব সম্পন্ন হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, আনসার বাহিনী, সাংবাদিকবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন হিন্দু নেতৃবৃন্দ।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন