শাহরাস্তিতে বাড়ির রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে ওমান প্রবাসী মোঃ মানিক হোসেন (৫০) গুরুতর আহত হয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে এবং তার স্বর্ণের আংটি ও স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেয়। ওই কান্ডে প্রবাসীর স্ত্রী মমতাজ বেগম ৪ জনকে আসামি করে শাহরাস্তি মডেল থানায় প্রথমে লিখিত অভিযোগ পরে মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টামটা উত্তর ইউপির রাঢ়া রাজাপুরা গ্রামের মৃত নুরুল হকের পুত্র ওমান প্রবাসী মানিক হোসেনের সঙ্গে একই বাড়ির তাজুল ইসলাম, লিটন, মাছুম ও রাজু দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধে জড়িত ছিলেন। বিবাদীরা বাড়ির চলাচলের পথে পিলার স্থাপন করে বাধা সৃষ্টি করায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।ওই হিসেবে
গত ১২ অক্টোবর রাতে স্থানীয় সালিশে বৈঠকে বিবাদীরা মানিক হোসেনের ওপর চড়াও হয়ে কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ১৪ অক্টোবর সকালে আবারও তারা পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে মানিকের মাথা, কাঁধ ও হাতে গুরুতর জখম হয় এবং তার কানের নিচে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়।
হামলাকারীরা তার আংটি ও ফোন ছিনিয়ে নেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।এ বিষয়ে ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার আগেই বিবাদীরা চলে যায়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মানিককে প্রথমে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন।
এ ঘটনায় আহত মানিকের স্ত্রী মমতাজ বেগম বাদী হয়ে শাহরাস্তি থানায় তাজুল ইসলাম (৫০), মোঃ লিটন (৪০), মোঃ মাছুম (৩৫) ও মোঃ রাজু (২২) কে আসামি করে শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি মামলা রুজু করে, যার নং১১ তারিখ ১৪/১০/২৫ দায়ের করেছেন।
ওই কান্ডে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর রাঢ়া রাজাপুরা গ্রামে মানববন্ধন করে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ওদৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
শাহরাস্তি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ওয়ালী উল্লাহ জানান, “মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে, স্বাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে, তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত বলা যাবে।

নিজস্ব প্রতিনিধি