কচুয়া উপজেলা উপজেলা সদর দক্ষিণ ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামে জমিজমা বিরোধের জের ধরে বাড়িঘর ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রোববার সকালে ওই গ্রামের বকাউল বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। এঘটনায় উভয় পক্ষের ৫ জন আহত হয়েছে। আহতরা বর্তমান কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রজানা গেছে, ওই গ্রামের মৃত মহারণ আলী মাস্টারের দুই ছেলে আবু তাহের ও তাফাজ্জল হোসেনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। ওই বিরোধের জের ধরে রোববার সকালে বাড়ির গাছ কাটা কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি ও বাড়িঘর ভাঙচুর করেন। এ সময় উভয় পক্ষের ৪জন আহত হয়েছে।
আবু তাহের (আবুল হোসেন) এর ছেলে সজীব হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরে আমার চাচা মোঃ তাফাজ্জল হোসেনের সাথে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। গতকাল রবিবার সকালে আমাদের জায়গার উপর চাচা তাফাজ্জল হোসেন গাছ কাটতে আসলে আমার বাবা আবুল হোসেন বাঁধা প্রদান করেন। আমার চাচা মো.তাফাজ্জল হোসেন,তার ছেলে সোহাগ হোসেন ও পুত্রবধূ শাহীন আক্তার আমাদের বসত ঘর ভাঙচুর ও আমাদের উপর হামলা করেন। আমাদের বসত ঘরে থাকা টিন ও কাঠ ভাঙচুর করে খুলে নিয়ে যায়।
তিনি আরো জানান, গত এক মাস পূর্বে আমাদের আরেকটি বসতঘর ভাঙচুর করে ভেঙ্গে ফেলে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই এবং জমিজমা বিষয়গুলো সমাধান চাচ্ছি।
তাফাজ্জল হোসেনের ছেলে সোহাগ হোসেনের স্ত্রী শাহীনা আক্তার জানান, আমাদের জায়গার উপর গাছ কাটতে গেলে আমার জ্যাঠা শ^শুর আবু তাহের ও তার মেয়েরাসহ বহিরাগত লোকজন দিয়ে আমার শ^শুরের মাথায় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। আমি আমার শ্বশুরকে উদ্ধার করতে আসলে আমাকে লাঠিয়ে দিয়ে পিঠিয়ে শরীরের বিভিন্ন যায়গায় নিলাফুলা করেন।

নিজস্ব প্রতিনিধি