চাঁদপুর সদর উপজেলার ৯ নং বালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান কাজীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি বালিয়া বাজার সংলগ্ন দারুসসুন্নাত নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার বাউন্ডারি দেয়াল নির্মানকে কেন্দ্র করে একটি মহল এই অপপ্রচার চালায়। এমনকি তারা মসজিদের ইমামের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর নামে বিভিন্ন অপপ্রচার চালায়। যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ মোজাম্মেল হোসেন।
তিনি বলেন, প্রকৃত ঘটনা হলো আমাদের মাদ্রাসার পাশের বাড়ির মোস্তফা মীর সাহেব ২২ শতাংশ ৫০ পয়েন্ট জমির মালিকানা দাবি করে কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন।সেই মামলার রায়ে তিনি নিজেই হেরে যান। মামলায় কোর্ট তাকে দুটি দাগে ১৬ শতাংশ জমির মালিকানা দখলদার ঘোষণা করে রায় প্রদান করেন ।সেই মোতাবেক এসিল্যান্ড অফিস থেকে সরকারি সার্ভেয়ার এসে আমাদের সীমানা দিয়ে যায়।
এখন আমরা মাদ্রাসার বাউন্ডারি নির্মাণ করতেছি।কিন্তু সার্ভেয়ারের দেওয়া সীমানা অনুযায়ী বাউন্ডারি করলে মোস্তফা মীর সাহেবের ঘর ভেঙ্গে ফেলতে হবে । তাই আমরা মানবিক কারণে ৫ ফিট ছেড়ে দিয়ে বাউন্ডারি নির্মাণ করতেছি।তারপরও তিনি দূরে থেকে বিভিন্ন ভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি কিসের মসজিদের ইমাম। ওই দিন এইখানে কিছুটা সমস্যা হয়েছিলো আমি নিজে হাবিব কাজী সাহেবকে ফোন করেছি যেহেতু উনি মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য। পরে উনি এসে আরো সবাইকে মানিয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় মাইনউদ্দিন নামে একজন জানায়,ওই দিন এখানে কাজ করার সময় কামলাদের উপর মোস্তফা মীরের মেয়েরা ইট পাটকেল মারে।পরে কামলা এখান থেকে ভয়ে সরে গেছে।তখন মাদ্রাসার সুপার হাবিব কাজী সাহেবকে ফোন করে।তিনি এসে উল্টো আমাদের সবাইকে মানিয়ে দিয়ে চলে যায়।
এবিষয়ে বিএনপি নেতা মোঃ হাবিবুর রহমান কাজী বলেন, সেদিন কাজ করার সময় তারা বাধা দিছে।তখন হুজুর আমাকে ফোন করছে।আমি এসে সবাইকে মানিয়ে দিয়ে চলে আসছি ।

অনলাইন ডেস্ক