ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে যাচাই-বাছাই শেষে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা
হয়েছে। বিভিন্ন দলের মোট ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
হয়েছে। বিভিন্ন দলের মোট ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেয়া হয়।
চাঁদপুরের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি ও তথ্য গোপন করায় ৪
প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা প্রার্থিতা ফিরে পেতে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন।
প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা প্রার্থিতা ফিরে পেতে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন।
এই আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে দুইজনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা ও ভুল তথ্য দেওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী মোজাম্মেল, জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. আব্বাস উদ্দিন,
স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির হোসেন, ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী আব্দুল মালেক বুলবুল’র মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির হোসেন, ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী আব্দুল মালেক বুলবুল’র মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
প্রার্থীদের বাতিলের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ধানমন্ডি শাখায় ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী ও গাউছিয়া কমিটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি
আব্দুল মালেক বুলবুল, স্বতন্ত্র প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. আব্বাস উদ্দিনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে ৪৬০০এর বেশি স্বাক্ষর হওয়ার কথা কিন্তু ৩১০৬ পর্যন্ত সিরিয়াল আছে বাকিগুলা সিরিয়াল নেই। এর মধ্যে ১ জন মৃত, ব্যক্তির ৭ জনের স্বাক্ষর নাই, ১ জনের খোঁজ নাই। স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির
হোসাইনের ১% যথাযথ নয়। এছাড়া ৬ জনের অস্তিত্ব নেই, ৩ জন এই বিষয়ে জানেন না। সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনোনয়নপত্রে
বিএনপি লিখেছেন, কিন্তু দলের প্রত্যয়ন নেই। স্বতন্ত্র হিসেবে বিবেচনা সম্ভব হচ্ছে না বিধায় তার মনোনয়নও বাতিল ঘোষনা করা
হয়।
আব্দুল মালেক বুলবুল, স্বতন্ত্র প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. আব্বাস উদ্দিনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে ৪৬০০এর বেশি স্বাক্ষর হওয়ার কথা কিন্তু ৩১০৬ পর্যন্ত সিরিয়াল আছে বাকিগুলা সিরিয়াল নেই। এর মধ্যে ১ জন মৃত, ব্যক্তির ৭ জনের স্বাক্ষর নাই, ১ জনের খোঁজ নাই। স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির
হোসাইনের ১% যথাযথ নয়। এছাড়া ৬ জনের অস্তিত্ব নেই, ৩ জন এই বিষয়ে জানেন না। সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনোনয়নপত্রে
বিএনপি লিখেছেন, কিন্তু দলের প্রত্যয়ন নেই। স্বতন্ত্র হিসেবে বিবেচনা সম্ভব হচ্ছে না বিধায় তার মনোনয়নও বাতিল ঘোষনা করা
হয়।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শাহজাহান মামুন জানান, ফরিদগঞ্জ পৌরসভাসহ ১৬ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৩১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৮ হাজার ৬০৩ জন, নারী ১ লাখ ৯২ হাজার ২৭ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১১৮ টি।

নিজস্ব প্রতিনিধি