শাহরাস্তিতে আবারও কঠোর আইন প্রয়োগের দৃঢ় উদাহরণ স্থাপন করলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিল্লোল চাকমা।
১০ জানুয়ারি গভীর রাতে ঘন কুয়াশা আর কনকনে শীতকে উপেক্ষা করে রাত ১১টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত তিনি টানা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজিয়া হোসেনের নির্দেশনায় পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে উপজেলার তিনটি এলাকায়—স্বেতি নারায়নপুর (চিতোষী পশ্চিম), পূর্ব পাথৈর (রায়শ্রী দক্ষিণ) ও ঘুঘুরচপ (রায়শ্রী দক্ষিণ)—ভেকু দিয়ে অবৈধভাবে কৃষি ফসলি জমির মাটি উত্তোলনের অভিযোগ যাচাই করা হয়।
স্বেতি নারায়নপুর ও পূর্ব পাথৈরে মাটি কাটার স্পষ্ট আলামত পাওয়া গেলেও ঘটনাস্থলে কাউকে না পাওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে ঘুঘুরচপ এলাকায় ভেকু দিয়ে মাটি উত্তোলনের সাথে জড়িত ব্যক্তিকে হাতে-নাতে শনাক্ত করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিল্লোল চাকমা। বালু মহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৯-এর ১৫ ধারার অপরাধে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও আদায় করা হয়।
রাত গভীরের এই অভিযানকে ঘিরে স্থানীয় সচেতন জনগণ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কৃষিজমি রক্ষায় টানা দিন–রাত এভাবে মাঠে কাজ করায় তরুণ এই প্রশাসনিক কর্মকর্তা এলাকায় ইতিমধ্যেই আলোচনায় উঠে এসেছেন।
অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে শাহরাস্তি থানা পুলিশ ও উপজেলা আনসার সদস্যরা।

নিজস্ব প্রতিনিধি