ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ আসনে পাঁচজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। মোট প্রাপ্ত বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী তাঁদের এই জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন—মকবুল হোসাইন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মাহমুদ আলম (জাতীয় পার্টি), আব্দুল মালেক (ইসলামী ফ্রন্ট), মো. মুনীর চৌধুরী (গণফোরাম) ও জাকির হোসেন (স্বতন্ত্র)।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে ফরিদগঞ্জ আসনে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল লড়াই সীমাবদ্ধ ছিল কয়েকজন শক্তিশালী প্রার্থীর মধ্যে। ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, উল্লেখিত পাঁচজন প্রার্থী ন্যূনতম ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে নির্বাচন বিধি অনুযায়ী তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ভোটারদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই হলেও শেষ পর্যন্ত ভোটের বড় অংশ গেছে শীর্ষ কয়েকজন প্রার্থীর ঝুলিতে। এতে অন্য প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি।
স্থানীয় ভোটারদের মতে, এবারের নির্বাচনে অনেকেই কৌশলগতভাবে ভোট দিয়েছেন। নিজেদের পছন্দের শক্তিশালী প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার প্রবণতা বাড়ায় ছোট দল ও স্বতন্ত্র কয়েকজন প্রার্থী ভোটের দৌড়ে পিছিয়ে পড়েন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল ফরিদগঞ্জের রাজনীতিতে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—ভোটাররা বিভক্ত না হয়ে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীদের দিকেই ঝুঁকছেন। এতে ভবিষ্যতে ছোট দল বা কম পরিচিত প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনী লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

এস. এম ইকবাল