শায়খ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ হাজি আধুনিক সুযোগ-সুবিধার অনেক আগে থেকেই তিনি মসজিদে নববিতে নিয়মিত দরস দিতেন। সে সময় মসজিদে নববির মেঝেতে কার্পেট ছিল না, শুধু কাঁকর বিছানো প্রাঙ্গণ ছিল।
সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, জীবনের দীর্ঘ এই সময়ে তিনি একটি দারসও বাদ দেননি। তবে এই দীর্ঘ সময়ে তার বোনের ইন্তেকালের দিনটি ছিল ব্যতিক্রম। বোনের ইন্তেকালের পর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করেই তিনি আবার ফিরে আসেন ছাত্রদের কাছে, আগের মতোই পাঠ চালিয়ে যান। এ ঘটনা তার জীবনের সাধনা ও পবিত্র কোরআনের প্রতি ভালোবাসার অনন্য উদাহরণ হিসেবে মদিনায় বহুল আলোচিত।
তার নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ ছিল কিংবদন্তিতুল্য। তার কাছে শিক্ষা গ্রহণ করে অনেকেই পরবর্তীতে পবিত্র কোরআনের শিক্ষক ও দায়ী হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন। শায়খ হাজির শিক্ষা ছড়িয়ে পড়েছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। তাকে দাফন করা হয়েছে জান্নাতুল বাকীতে।

অনলাইন ডেস্ক