প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬ । ৪:২৩ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় বাড়িঘর ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক
কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের মাঝিগাছা বুধুন্ডা গ্ৰামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হয়রানি, মিথ্যা মামলা, ঘরবাড়ি উপর হামলা, ভাঙচুর সহ ভয় ভীতিমূলক হুমকি ধামকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। গতকাল মঙ্গলবার সকালে বুধুন্ডা গ্রামে মুন্সিবাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাইজিদ মুন্সী ও মোহাম্মদ রাসেল মুন্সী।
বাইজিদ মুন্সী লিখিত বক্তব্য বলেন, আমার পিতা মৃত বজলুর রহমান মুন্সি বিতারা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে আমাদের পরিবার সকলের কাছে একটি পরিচিত রয়েছে এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণ বসবাস করে আসছি। আমাদের গ্রামে ছন্দু মুন্সী মাদকাসক্ত পুত্র ইকরাম মুন্সী ও রায়হান মুন্সির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত আমাদেরকে হয়রানি, মিথ্যা মামলা,বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর, হুমকি দুমকি দিয়ে আসছে । ছন্দু মুন্সী ও তার ছেলেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে এলাকার নিরীহ অসহায় মানুষের জমি জোরপূর্বক দখল করার অভিযোগ রয়েছে। আমাদের গ্রামের মুন্সিবাড়ির মৃত সিরাজুল হক দুই দাগের ৭১ শতাংশ জমির জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে তারা।
তিনি আরো বলেন,মাদকাসক্ত রায়হান মুন্সি ২৯ শে জুলাই ২০২৫ সালে পুলিশ কর্তৃক ৫ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার হয়। পরবর্তীতে জেল থেকে বের হয়ে এলাকায় আবারো মাদক ব্যবসা শুরু করে। বর্তমানে তার আতংকে এলাকা যুবসমাজ রয়েছে। মাদক ব্যবসার পাশাপাশি রায়হান মুন্সি বিভিন্ন অপকর্ম করে এলাকায় আসছেন বলে লিখিত অভিযোগ উল্লেখ করেন।
ঘরবাড়ি ভাঙচুর বিষয়ে বাইজিদ মুন্সী বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ০৭ মার্চ রায়হান মুন্সি ও একরাম মুন্সি দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাকে এবং ভাই তুহিন মুন্সী উপর অতর্কিত হামলা করে।
প্রতিবেশীকে হামলা লুটপাটের বিষয়ে বায়জিদ বলেন, আমাদের প্রতিবেশী আতাউর মুন্সির ভগ্নিপতি আবু তাহেরকে নামাজরত অবস্থায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায় ইকরাম মুন্সী ও রায়হান মুন্সী। এই ঘটনায় দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে স্থানীয় সালিশ বৈঠকে সালিশরা তিন লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও রায়হান মুন্সির মাঝিগাছা গ্রামের ছেলে আলামিনের মোটরসাইকেল চুরি করে এক মাস ধরে কারাভোগ করেছেন।
ইকরাম মুন্সির বিরুদ্ধে ওই এলাকার এক বিধবা নারী পারভীন বেগম অভিযোগ করে বলেন, ২০১০ সালে ২০ এপ্রিল ইকরাম মুন্সির চাচাতো ভাই আমার স্বামী মৃত গিয়াস উদ্দিন ছেলে শিশু মাহফুজ (০৪) কে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য বাড়ির পাশে পুকুরে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে পোস্টমর্টেম রিপোর্টে আমার ছেলেকে গলা চেপে হত্যা করা হয়েছে বলে সনাক্ত হয়। ইকরাম মুন্সি প্রভাবশালী হওয়ায় ও আমি বিধবা ও অসহায় মহিলার কারণে কোন বিচার পাইনি। তাদের ভয়ে ন্যায় বিচারের জন্য মুখ খুলতে পারেনি।
সংবাদ সম্মেলনে বাইজিদ মুন্সী, রাসেল মুন্সী ও বিধবা পারভিন বেগম আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনের কাছে ছন্দু মুন্সীর ছেলে রাহান মুন্সি ও ইকরাম মুন্সির বিরুদ্ধে তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন এবং তাদের নিরাপত্তা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন