কচুয়া উপজেলার গোহট উত্তর ইউনিয়নের হাসিমপুর মজুমদার বাড়ির জাহাঙ্গীর আলমের উপর স্ত্রী ফাতেমা, সন্তানরা ও তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ২০ বছর পূর্বে পাশ্ববর্তী চান্দিনা উপজেলার কৈলাইন মিয়া বাড়ির রহমতুল্লাহ মাষ্টারের মেয়ে ফাতেমার সঙ্গে পারিবারিক ভাবে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্ত্রী ও তার স্বজনরা জাহাঙ্গীর আলমের উপর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন শুরু করে। এমন কি বেড়ে উঠা ছেলে সন্তানরাও মাদক সেবন করে ও বাড়িতে এনে অন্য নারীদের সাথে যৌন সম্পর্ক করে। এই ধরনের কর্মকান্ডে আমি বাঁধা দিতে গেলে স্ত্রী ফাতেমা ও ছেলেরা আমার উপর হামলা ও নির্যাতন করে আসছে।
তিনি আরো বলেন, ২০০৪ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত স্ত্রী ফাতেমা স্বামী আমার নামে ৮টি মামলা দায়ের করেন। অতিষ্ঠ হয়ে আমি স্ত্রীকে ২৭ জানুয়ারী ২০২৬ ডিভোর্স দেয়। স্ত্রীর দায়ের করা মামলা গুলোর অধিকাংশ মামলার সত্যতা না থাকায় কিছু আদালত, থানায়, ও এলাকার গণ্যমান্যদের মাধ্যমে সমাধান হয়ে আসলেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমার স্ত্রীর সন্তানদের অনৈতিক কর্মকান্ডে উৎসাহ দিয়ে আসছে স্ত্রীর বোন ও তার স্বজনরা। এছাড়াও স্ত্রীর বোন তার শশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে গত ২০ বছর ধরে অযথা মামলা চালিয়ে নিঃস্ব করে ফেলেছে প্রায় ১০টি পরিবারকে। অর্থ্যাৎ তারা মামলা ছাড়া কিছুই বুঝে না। স্ত্রী, ছেলে ও তাদের স্বজনদের ভয়ে হতভাগা জাহাঙ্গীর আলম প্রতিনিয়ত নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন।
বিবাদীদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। স্ত্রী অবাধ্য সন্তানদের হাত থেকে বাচতে বিজ্ঞ আদালত, থানা প্রশাসন ও এলাকা বাসির সু-দুষ্টি কামনা করছেন জাহাঙ্গীর আলম।

কচুয়া প্রতিনিধি