চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পূর্ব এখলাছপুর দারুল এখলাছ আমেনা (রা.) মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. আল মামুনের বিরুদ্ধে টানা ১২ বছর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও এমপিও ইনডেক্স সচল রেখে পুনরায় চাকরিতে যোগদানের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ইকরাম হোসেন হামিদের বিরুদ্ধেও তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আল মামুন মাদ্রাসায় অনুপস্থিত ছিলেন। তবে তাঁর এমপিও ইনডেক্স সচল ছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে একটি আবেদনের ভিত্তিতে তাঁকে পুনরায় যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানান সুপার।
অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে আল মামুন রাজনৈতিক কারণের কথা বললেও এ বিষয়ে কোনো মামলা বা প্রমাণ দেখাতে পারেননি। অন্যদিকে, সুপার জানান, দীর্ঘ অনুপস্থিতির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়নি।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল্লা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অভিযোগের সত্যতা মিললে এটি এমপিও নীতিমালার গুরুতর লঙ্ঘন। তাঁরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এস. এম ইকবাল