প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬ । ১২:০৬ এম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে রানার উপর হামলা: আদালতে মামলা

অনলাইন ডেস্ক

গত ১৮ আগস্ট রাতে রামপুর বাজার পাঠান মেডিকেল এর সামনে সাংবাদিক মিজানুর রহমান কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে একদল দুর্বৃত্ত। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সাংবাদিক মিজানুর রহমানের উপর হামলা করা হয়। তিনি বর্তমানে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এর আগে গত ২ আগস্ট এই দুর্বৃত্ত দল তার কাছে চাঁদা দাবি করছিল।

জানা যায়, গত ১৮ আগস্ট রাতে এরই পরিপ্রেক্ষিতে তার উপর হামলা করা হয়। হামলায় তার মুখ ও ঘাড় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সাংবাদিক মিজানুর রহমান রানা হাসপাতালের বেডে বলেন, রামপুর মজুমদার বাড়ির রবিউল ও তার বাবা দেলোয়ার হোসেন মজুমদার এলাকায় রামপুর বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছেও চাঁদা দাবি করেছিল। চাঁদা না দেওয়ায় গত কয়েক মাস আগে রামপুর বাজারের কয়েকটা দোকান লুটপাট করা হয়। এরা সহ এদের আরও লোকজন এই ঘটনার সাথে জড়িত। ঘটনার পর পুলিশ আসে এবং দু একজনকে গ্রেফতার করা হয়। ব্যবসায়ীরা মামলা করে তারপর কিছুদিন চাঁদা দাবি লুটপাট বন্ধ ছিল। কিন্তু গত ২ আগস্ট হঠাৎ করে এই দুইজন দুর্বৃত্ত সাংবাদিক মিজানুর রহমান রানার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তিনি বিষয়টি এগিয়ে যান। এই কারণে গত ১৮ আগস্ট তার উপর হামলা করে তাকে জখম করা হয়। পরদিন ১৯ আগস্ট তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং চাঁদপুর আদালতে এ বিষয় নিয়ে মামলা দায়ের করেন।

এলাকার লোকজন জানান এই দুর্বৃত্ত দল গত কয়েক মাসে এলাকায় লুটপাট চালিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। যারা চা তাদের কথামতো চাঁদা না দেয় তাদের উপর তারা আক্রমণ করে এবং তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। তারা অত্যন্ত নিকৃষ্ট এবং নিম্নমানের লোক। সাধারণ বিষয় নিয়ে মানুষের সাথে হামলা মামলা এবং লুটপাট মারামারি করে। এদের এই অবস্থা বন্ধ হওয়া দরকার, তা না হলে রামপুর বাজার এর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে।

এ ব্যাপারে ৪ নং কালছো দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন বিএনপি’র সেক্রেটারি গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, এরা বিএনপি’র কেউ নয়। আমি এদেরকে এই সমস্ত বিষয়ে কয়েকবার বারণ করেছি কিন্তু তারা আমার কথা শুনেনা। সে কারণে আমি রাতেও কমিউনিটি পুলিশ মিলে বাজার পাড়ার ব্যবস্থা করেছি। আপনার সাথে তাদের এই ঘটনার জন্য আমি অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করছি। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাংবাদিক মিজানুর রহমান রানার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কা জনক। তার ঘাড়ের রগ কেটে গেছে এবং মাথার এক পাস প্রায় অবশ হয়ে গেছে। তিনি ঠিকমতো কথা বলতে পারেন না এবং চলতে পারেন না।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন