প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ । ৯:০১ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

অপ্রতিমের মৃত্যু ঘিরে তদন্ত জোরদার, আটক-৩

অনলাইন ডেস্ক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিমের (১৩) মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের অংশ হিসেবে ফাহিম আহমেদ নামে আরও একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে একই ঘটনায় তুহিন ও আনাস নামে দুজনকে আটক করা হয়। এ নিয়ে তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ ও মুঠোফোনের তথ্যসহ বিভিন্ন আলামত যাচাই করা হচ্ছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের একটি নির্জন জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কোটবাড়ি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে বের হয় অপ্রতীম। এরপর সে আর বাসায় ফেরেনি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর তার বাবা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

অপ্রতীম নিখোঁজ হওয়ার পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ। ফুটেজে অপ্রতীমের সঙ্গে তুহিন নামে এক তরুণকে দেখা যায়। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ জানায়, তুহিনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আনাসকে এবং তদন্তের ধারাবাহিকতায় ফাহিম আহমেদকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে অপ্রতীমের সঙ্গে থাকা তার মায়ের আইফোনটি এখনো পাওয়া যায়নি। ফোনটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। কী কারণে অপ্রতীমের মৃত্যু হয়েছে এবং এর সঙ্গে আটক ব্যক্তিদের কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

অপ্রতীম স্থানীয় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান।

অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবিতে তারা ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে বিশ্ববিদ্যালয় অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

পুলিশ জানিয়েছে, আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ, মুঠোফোনের তথ্য ও অন্যান্য আলামত যাচাই করে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা চলছে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন