চাঁদপুর শহরের বিষ্ণুদী এলাকায় সালিশি বৈঠকে এক ওয়ার্ড বিএনপি নেতার উপর হামলা অভিযোগ উঠেছে। আহত ওই বিএনপি নেতার নাম শামীম মিজি( ৫৬) । তিনি চাঁদপুর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির ৪ নং মহল্লা কমিটির সভাপতি।
আহত শামীম মিজির পরিবার জানায়,শহরের বিষ্ণুদী এলাকায় থানার মাধ্যমে একটি জমি পরিমাপের বিষয় ছিলো। আল আমিন ও ফরিদ খন্দকারের মধ্যে জমির পরিমাপের জন্য ১৭ অক্টোবর শনিবার সকালে এই সালিশি বৈঠক বসে।
বৈঠকের এক পর্যায়ে, ওই এলাকার মৃত জব্বর খন্দকারের ছেলে মনির খন্দকার (৫০),তার ভাতিজা মানিক খন্দকার, পারভেজ খন্দকার,মমিন খন্দকারসহ ৮ থেকে ১০ জনের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ শামীম মিজির উপর অতর্কিত হামলা চালায়। পরে শামীম মিজির স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এঘটনায় আহত শামীম মিজি বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী মোঃ শামীম মিজি (৫৬), পিতা মৃত আক্কাছ মিজি, সাং- উত্তর পশ্চিম বিষ্ণুদী, ৯নং ওয়ার্ড, চাঁদপুর পৌরসভা, চাঁদপুর।বিবাদী চক্র এই এলাকার দখলবাজ, ভূমি আত্মসাতকারী ও আইন অমান্যকারী প্রকৃতির লোক। তারা একই এলাতার বাসিন্দা। আল-আমিন গাজী হইতে ফরিদ খন্দকার জমি ক্রয় করিয়াছে সেই জমি অদ্য তারিখে সরজমিনে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গসহ সার্ভেয়ার দ্বারা পরিমাপ করা অবস্থায় বিবাদীগন আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারধর করার জন্য কয়েকবার তেরে আসে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে বিষয়টি মিমাংসার করার জন্য গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের মধ্যস্থায় শালিষ বৈঠক বসিলে বিবাদীগন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমাকে লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র দ্বারা অতর্কিতভাবে এলোপাথারি আঘাত করিয়া আমার হাতে, পায়ে, পীঠে, মাঝায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। আমার ডাক চিৎকারে আশে পাশের লোকজন আমাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করায়।
বর্তমানে বিবাদীগনের দ্বারা আমিও আমার পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তার হুমকিতে আছি।
ঘটনার সময় মডেল থানার এসআই আনোয়ারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনায় স্বামী নিজের পরিবার মনির খন্দকার গংদের ভয় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
ভুক্তভোগ পরিবার দাবী বিষয়টি সুস্থ তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সু-বিচার কামনা করছেন।

অনলাইন ডেস্ক